পরিবেশ বিষয়ক তথ্যাবলী

61

পরিবেশ বিষয়ক তথ্যাবলী 

১.Environment কথাটি এসেছে ফরাসী
শব্দ Environner যার অর্থ – ঘিরে থাকা বা বেস্টিত করা।
২.Television Trust For Environment হল একটি পরিবেশ কেন্দ্রিক আন্তর্জাতিক সংগঠন।
৩.ভারতে পরিবেশ শিক্ষাকেন্দ্র CEE
অবস্থিত গুজরাটের আমেদাবাদ এ।
৪.পরিবেশ বিষয়ক জীবিকা কে Forest Recologist বলে।
৫.ভারতে ১৯৮৬ সালে National Environment Awarness Campaign প্রবর্তন হয়।
৬.প্রাচীন ভারতে পরিবেশবাদী সাহিত্যিক হলেন কালিদাস,বানভট্ট, ভবভূতি,কৌটিল্য।
৭.বিদ্যালয়ের ইকোক্লাবের সদস্যদের নিয়ে জাতীয় সবুজ বাহিনী গঠিত হয়।
৮.ওড়িশার ভিতরকনিকা ম্যানগ্রোভ অরন্যাঞ্চলে অলিভ বিড়াল নামক সামুদ্রিক কচ্ছপ সংরক্ষন করা হয়।
৯.ভারতের প্রধান দুটি জীব বৈচিত্র হটস্পট অঞ্চল হল পূর্ব হিমালয় ও পশ্চিম ঘাট পর্বত।
১০.হর্নবিল নামক পাখি ভারতে নারকোন্ডম দ্বীপে দেখা যায়।
১১.ভারতে মোট বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ ১৮ টি।
১২.কুলিক পাখিরালয় প:ব রায়গঞ্জ অবস্থিত।
১৩.বর্তমানে ভারতে মোট জাতীয় উদ্যান ১০২ টি, অভয়ারন্য ৫১৫ টি।
১৪.নলসরোবর পাখিরালয় গুজরাটে অবস্থিত।
১৫. বর্তমানে ভারতে ব্র্যাঘ্র প্রকল্পের সংখ্যা ৪২ টি।
১৬.জীব। বৈচিত্রে পৃথিবীতে ভারতের স্থান ১২ তম।
১৭. পৃথিবীর সর্বাধিক জীববৈচিত্রের দেশ ব্রাজিল।
১৮.মেগাবায়োডাইভারসিটি পরিভাষা ব্যাবহৃত হয় স্মিথসোনিয়ার সন্মেলনে
১৯.বাস্তুতন্ত্রে জীববৈচিত্রের ক্ষতিসাধন কারী বৃক্ষ হল ইউক্যালিপটাস।
২০. পৃথিবীর জীববৈচিত্রের হটস্পট অঞ্চল হল ৩৪ টি।
২১.ভারতের বৃহত্তম পাখিরালয় রাজস্থানের ভরতপুর।
২২.ভারতে বাস্তুতান্ত্রিক সমস্যা সৃষ্টি করে কচুরিপানা ও পার্থেনিয়াম নামক বিদেশী গাছ।
২৩.লেবুর আদিমতম বন্য প্রজাতি সাইট্রাস ইন্ডিকা ভারতের মেঘালয়ের তুরা জেলায় পাওয়া যায়।
২৪.উত্তর পূর্ব ভারতে ইয়াম গাছ থেকে জন্মনিরোধক বড়ি প্রস্তুত হয়।
২৫.ভারতে বৃহত্তম ব্যাঘ্র প্রকল্প হল অন্ধ্রপ্রদেশের নাগার্জুনসাগর।
২৬.ভারতের নবীনতম বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ জল আচানকামার ও অমরকন্টক।
২৭.আর্সেনিক সহনসীল ফসল টম্যাটো।
২৮.জৈব যুদ্ধ হল মারাত্মক অনুজীব প্রয়োগ করে  যুদ্ধ।
২৯.ভারতে সর্বাধিক সরীসৃপ পাওয়া যায় পশ্চিম ঘাট অঞ্চলে।
৩০.সাইলেন্ট স্প্রিং রচয়িতা শ্রীমতি রেচেল কারসেন।
৩১.Fall Of A Sparrow রচয়িতা সেলিম আলি।
৩২.পাললিক চক্র উদাহরন S চক্র।
৩৩.মধুমালাই অভয়ারন্য তামিলনাডু তে।
৩৪.সেভিন নামক কীটনাষক তৈরী তে MIC গ্যাস ব্যবহার করা হয়।
৩৫. MIC গ্যাস সংকেত হল CHNCO
৩৬.কেঁচো কে   মাটি ও কৃষকের বন্ধু বলে।
৩৭.কেঁচো পালন কে ভার্মিকালচার বলে।
৩৮.কেঁচো সার তৈরী কে ভার্মি কম্পোস্ট বলে।
৩৯.ভারতের বৃহত্তম হারবেরিয়াম সংগ্রহসালা হল সেট্রাল ন্যাশনাল হারবেরিয়াম (শিবপুর -হাওড়া)
স্থাপন কাল : ১৭৯৩, মোট শীট  ২৫০০০০০ টি।
৪০.পৃথিবীর বৃহত্তম বোটানিক্যাল গার্ডেন রয়েল বোটানিক্যাল গার্ডেন, কিউ ইংল্যান্ড।
৪১.ভারতের বৃহত্তম বোটানিক্যাল গার্ডেন হল আচার্য জগদীশ চন্দ্র বোটানিক্যাল গার্ডেন, পূর্ব নাম : ইন্ডিয়ান বোটানিক্যাল গার্ডেন,কোম্পানি গার্ডেন।
ইহা হাওড়ার শিবপুরে অবস্থিত।
প্রতিষ্ঠা করেন : রবার্ট কর্নেল কিড।
ইহা BSI সদর দপ্তর।
৪২.নরমেন মেয়ারস মতে জীব বৈচিত্রের হটস্পট সংখ্যা ২৫ টি।
৪৩.জলবায়ু পরিবর্তনের পিতা বলে সুইডেনের নোবেলজয়ী পদার্থবিদ স্যাভেন্তে আরহেনিয়াস।
৪৪.DDT পুরো নাম ডাইক্লোরো ডাইফিনাইল ট্রাইক্লোরোইথেন।
৪৫.ডি ডি টি আবিষ্কার করেন পল মূলার ১৯৩৯ সালে।
৪৬.নিরক্ষীয় অঞ্চলের (আমাজন অববাহিকা) গভীর বনভূমি সেলভা পৃথিবীতে সর্বাধিক অক্সিজেন যোগান দেয় বলে একে “পৃথিবীর ফুসফুস”
বলে।
৪৭.১৯৫২ সালে অসম ও প:ব গন্ডার প্রকল্প আইন প্রনয়ন হয়।
৪৮.ভোপাল গ্যাস দুর্ঘটনা হয়েছিল ১৯৮৪ সালের ৩ ডিসেম্বর।
৪৯.ভারতের সংবিধানে পরিবেশ রক্ষায় বনাঞ্চল ও বন্যপ্রানী সংরক্ষন   নিয়ে রাষ্ট্রের দায়িত্ব  গ্রহনের কথা আছে সংবিধানের ৪৮(A)  ধারায়।