দশম শ্রেণী ভূগোল | বারিমন্ডল – প্রশ্ন উত্তর সাজেশন | WBBSE Class 10th Geography Suggestion

10085

দশম শ্রেণী ভূগোল সাজেশন – WBBSE Class 10th Geography Suggestion

দশম শ্রেণী ভূগোল | বারিমন্ডল - প্রশ্ন উত্তর সাজেশন | WBBSE Class 10th Geography Suggestion
দশম শ্রেণী ভূগোল | বারিমন্ডল – প্রশ্ন উত্তর সাজেশন | WBBSE Class 10th Geography Suggestion

দশম শ্রেণী ভূগোল সাজেশন – WBBSE Class 10th Geography Suggestionবারিমন্ডল – প্রশ্ন উত্তর   দেওয়া হল নিচে। এই WBBSE Class 10th (X) Madhyamik Geography Suggestion – মাধ্যমিক দশম শ্রেণীর ভূগোল সাজেশন – বারিমন্ডল – প্রশ্ন উত্তর  গুলি আগামী সালের পশ্চিমবঙ্গ মাধ্যমিক ভূগোল পরীক্ষার জন্য খুব ইম্পর্টেন্ট। আপনারা যারা মাধ্যমিক দশম শ্রেণীর ভূগোল পরীক্ষার সাজেশন খুঁজে চলেছেন, তারা নিচে দেওয়া প্রশ্ন ও উত্তর ভালো করে পড়তে পারেন। এই পরীক্ষা তে কোশ্চেন গুলো আসার সম্ভাবনা খুব বেশি।

বারিমন্ডল – অতিসংক্ষিপ্ত, সংক্ষিপ্ত, রোচনাধর্মী প্রশ্ন উত্তর (MCQ, SAQ, Short, Descriptive Question and Answer) | মাধ্যমিক দশম শ্রেণী ভূগোল সাজেশন – WBBSE Class 10th Madhyamik Geography Suggestion

দশম শ্রেণী ভূগোল | বারিমন্ডল – বহু বিকল্পভিত্তিক প্রশ্নোত্তর [MCQ]:[প্রতিটি প্রশ্নের মান-1]

1. মরা কোটাল হয়—
[A] অমাবস্যা তিথিতে |     [B] পূর্ণিমা তিথিতে [C] প্রতিপদে     [D] শুক্ল ও কৃয়পক্ষের অষ্টমী তিথিতে

উত্তরঃ [D] শুক্ল ও কৃয়পক্ষের অষ্টমী তিথিতে

2. পৃথিবীর বৃহত্তম ও গভীরতম মহাসাগর হল—
[A] সুমেরু মহাসাগর।     [B] ভারত মহাসাগর [C] আটলান্টিক মহাসাগর।     [D] প্রশান্ত মহাসাগর

উত্তরঃ [C] আটলান্টিক মহাসাগর

3. ভূপৃষ্ঠের জলভাগের প্রতিটি স্থানে 24 ঘণ্টায় জোয়ার হয়—
[A] একবার     [B] দু’বার [C] তিনবার।     [D] কোনােটিই সঠিক নয়

উত্তরঃ [B] দু’বার

4. জাপান উপকূলে টাইফুন নামে ভয়ংকর ঝড়-তুফানের সৃষ্টি হয় –
[A] কুরেশিয়ে স্রোত ও শীতল বেরিং স্রোতের মিলনের ফলে     [B] উয় নিরক্ষীয় বিপরীত স্রোত ও শীতল কুমেরু স্রোতের মিলনের ফলে     [C] উয় নিউ সাউথ ওয়েলস স্রোত ও শীতল পেরু স্রোতের মিলনের ফলে [D] কোনােটিই সঠিক নয়।

উত্তরঃ [A] কুরেশিয়ে স্রোত ও শীতল বেরিং স্রোতের মিলনের ফলে

5. মরা কোটাল হয় যখন চন্দ্র ও সূর্য…………. অবস্থান করে।
[A] সমান্তরালে।     [B] একই রেখায় [C] পরস্পরের সমকোণে।     [D] সূক্ষ্মকোণে

উত্তরঃ [C] পরস্পরের সমকোণে

6. সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবীর সরলরৈখিক অবস্থানকে বলে-
[A] সি.জি.গি     [B] প্রতিযােগ।   [C] সংযােগ। [D] কোনােটিই সঠিক নয়

উত্তরঃ [A] সি.জি.গি

7. নিউ ফাউল্যান্ডের কাছে ঘন কুয়াশা ও ঘূর্ণিঝড়ের সৃষ্টি হয়—
[A] উপসাগরীয় স্রোত ও উত্তর আটলান্টিক স্রোতের মিলনের ফলে     [B] ক্যানারি স্রোতের সঙ্গে উপসাগরীয় স্রোতের মিলনের ফলে [C] উপসাগরীয় স্রোত ও ল্যাব্রাডর স্রোতের মিলনের ফলে     [D] কোনােটিই সঠিক নয়।

উত্তরঃ [C] উপসাগরীয় স্রোত ও ল্যাব্রাডর স্রোতের মিলনের ফলে

8, ক্যালিফোর্নিয়া স্রোত প্রবাহিত হয়—
[A] প্রশান্ত মহাসাগরে     [B] ভারত মহাসাগরে [C] সুমেরু মহাসাগরে     [D] আটলান্টিক মহাসাগরে

উত্তরঃ [A] প্রশান্ত মহাসাগরে

9. আটলান্টিক মহাসাগরে শৈবাল সাগর সৃষ্টি হয়েছে যে স্রোতের দ্বারা সেটি হল—
[A] বেগুয়েলা স্রোত।     [B] ক্যানারি স্রোত [C] ল্যাব্রাডর স্রোত     [D] কুরেশিয়ে স্রোত

উত্তরঃ [B] ক্যানারি স্রোত

দশম শ্রেণী ভূগোল | বারিমন্ডল – অতিসংক্ষিপ্ত উত্তরভিত্তিক প্রশ্নোত্তর :[ প্রতিটি প্রশ্নের মান-1]

1. আটলান্টিক মহাসাগরের কোন অংশে হিমপ্রাচীর সৃষ্টি হয়?

উত্তর : উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের পশ্চিমাংশে হিমপ্রাচীর সৃষ্টি হয়।

2. সি. জি. গি. কী?

উত্তর : পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য যখন একটি সরলরেখায় অবস্থান করে তখন সেই অবস্থানকে সি. জি. গি. বলে।

3. সৌর জোয়ার কাকে বলে?

উত্তর : সূর্যের আকর্ষণে পৃথিবীতে যে জোয়ার হয় তাকে সৌর জোয়ার বলা হয়।

4. চান্দ্র জোয়ার কাকে বলে?

উত্তর : চন্দ্রের আকর্ষণে পৃথিবীতে যে জোয়ার হয় তাকে চান্দ্র জোয়ার বলা হয়। (27 দিনে পৃথিবীর চারদিকে চাঁদের একবার পরিক্রমাকে বলা হয় চান্দ্রমাস।)

5. কোনাে স্থানে একটি জোয়ার ও একটি ভাটার মধ্যে সময়ের ব্যবধান কত থাকে?

উত্তর : 6 ঘণ্টা 13 মিনিট।

6. মৌসুমি স্রোত কোন মহাসাগরে দেখা যায় ?

উত্তর : ভারত মহাসাগরে মৌসুমি স্রোত দেখা যায়।

7. কেন্দ্রাতিগ বল কাকে বলে?

উত্তর : পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির বিপরীতমুখী ক্রিয়াশীল বলকে কেন্দ্রাতিগ বল বলে।

৪. হিমপ্রাচীর কোন মহাসাগরে দেখা যায় ?

উত্তর : হিমপ্রাচীর আটলান্টিক মহাসাগরের উত্তর-পশ্চিম অংশে দেখা যায়।

9. পশ্চিমবঙ্গে বান ডাকে এমন একটি নদীর নাম লেখাে।

উত্তর : পশ্চিমবঙ্গে হুগলি নদীতে বান ডাকে।

10. ভূপৃষ্ঠের শতকরা কত ভাগ স্থান জলভাগ অধিকার করে আছে?

উত্তর : ভূপৃষ্ঠের প্রায় 70 ভাগ স্থান জলভাগ অধিকার করে আছে।

11. আটলান্টিক মহাসাগরের দুটি উয় স্রোতের নাম লেখাে।

উত্তর : আটলান্টিক মহাসাগরের দুটি উয় স্রোত হল—(i) উপসাগরীয় স্রোত ও (ii) ব্রাজিল স্রোত।

12. পৃথিবীর বৃহত্তম মহাসাগরের নাম কী?

উত্তর : পৃথিবীর বৃহত্তম মহাসাগরটির নাম প্রশান্ত মহাসাগর।

13. পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাসাগরের নাম কী?

উত্তর : পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাসাগরের নাম আটলান্টিক মহাসাগর।

দশম শ্রেণী ভূগোল | বারিমন্ডল – সংক্ষিপ্ত উত্তরভিত্তিক প্রশ্নোত্তর : [প্রতিটি প্রশ্নের মান-2]

1. মগ্নচড়া কী?

উত্তর : মেরু অঞ্চল থেকে শীতল সমুদ্রস্রোতের সঙ্গে ভেসে আসা হিমশৈল উয়স্রোতের সংস্পর্শে এসে গলে যায়। হিমশৈল মধ্যস্থ নুড়ি, কাকর, বালি, কাদা প্রভৃতি ওজনানুসারে সমুদ্র তলদেশে পর্যায়ক্রমে থিতিয়ে পড়ে। দীর্ঘকাল ধরে এই সম পদার্থ অধঃক্ষিপ্ত হয়ে অগভীর নিমজ্জিত ও চড়ার সৃষ্টি হয়। একে মগ্নচড়া বা ব্যাংক বলে। উদাহরণ : সেবল ব্যাংক, জর্জেস ব্যাংক।

2. হিমপ্রাচীর কাকে বলে?

উত্তর : আটলান্টিক মহাসাগরের নিউফাউন্ডল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের নিকট (হ্যালিফক্স ও কড অন্তরীক্ষের মাঝে) উত্তর দিকে (ব্যাকিন উপসাগর) থেকে আগত শীতল ও গাঢ় সবুজ জলের শীতল ল্যাব্রাডার স্রোত এবং দক্ষিণ দিক থেকে আগত উয় ও গাঢ় নীল জলের উপসাগরীয় স্রোত পাশাপাশি পরস্পরের বিপরীত দিকে প্রবাহিত হয়। এই দুই স্রোতের স্পষ্ট সীমারেখাকে হিমপ্রাচীর বলে। এখানে ঘন কুয়াশার সৃষ্টি হয়।

3. নিউফাউন্ডল্যান্ড উপকূলে ঘন কুয়াশা, ঝড় সৃষ্টি হয়—কারণ ব্যাখ্যা করাে।

উত্তর : নিউফাউন্ডল্যান্ড উপকুলে উম্ন উপসাগরীয় ও শীতল ল্যাব্রাডার স্রোত পরস্পর মিলিত হয়। উয় উপসাগরীয় স্রোতের ওপর দিয়ে প্রবাহিত বায়ু উয় ও জলীয়বাষ্পপূর্ণ এবং শীতল ল্যাব্রাডার স্রোতের ওপরকার বায়ু শীতল ও শুষ্ক হওয়ায়, দুই ভিন্নধর্মী বায়ু পরস্পরে সংস্পর্শে এলে শীতলবায়ুর প্রভাবে উয় বায়ুস্থিত জলীয় বাষ্প জমে গিয়ে কুয়াশার সৃষ্টি করে। আবার নিউফাউন্ডল্যান্ড উপকূলের কাছে এই দুই ভিন্নধর্মী বায়ুর মুখােমুখী সংঘর্ষের ফলে মাঝে মাঝে ঘূর্ণিঝড়ের সৃষ্টি হয়।

4. উপসাগরীয় স্রোত (Gulf Current) কাকে বলে?

উত্তর : উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের মেক্সিকো উপসাগর থেকে উৎপন্ন একটি উয়স্রোত হল উপসাগরীয় স্রোত। এই স্রোতের কয়েকটি উল্লেখযােগ্য বৈশিষ্ট্য হল— (i) এই স্রোতের জলের রং নীল। (ii) এই স্রোত উয় (27:02°C)। (iii) এই স্রোতের বিস্তার 64 কিমি এবং গভীরতা 914 মিটার। (iv) এই স্রোতের গড় গতিবেগ হল 10-15 মাইল/দিন। (v) এই স্রোত প্রতিসেকেন্ডে 74-93 মিলিয়ন ঘনমিটার জল বহন করে।

5. জাপান বা কুরােশীয় স্রোত কাকে বলে?

উত্তর : উত্তর প্রশান্তমহাসাগরের এই স্রোতটি উত্তর নিরক্ষীয় স্রোত প্রথমে পূর্ব ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জে এবং পরে ফিলিপাইল্স দ্বীপপুঞ্জে প্রতিহত হয়ে উত্তরে বেঁকে যায় এবং দক্ষিণ নিরক্ষীয় স্রোতের উত্তরগামী শাখার সঙ্গে মিশে কুরােশীয় স্রোত নামে এবং জাপানের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হবার সময় জাপান স্রোত নামে পরিচিত।

6. ৰেয়েলা স্রোত কাকে বলে?

উত্তর : দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের এই শীতল স্রোতটি কুমেরু স্রোতের একটি শাখা আফ্রিকার দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলে উত্তমাশা অন্তরীপে প্রতিহত হয়ে পশ্চিম উপকূল বরাবর অ্যাগুয়েলার বেঙ্গুয়েলা বন্দর পর্যন্ত বিস্তৃত। এই স্রোতের গড় গতিবেগ ঘণ্টায় 10 কিমি।

7. ব্রাজিল স্রোত কাকে বলে?

উত্তর : বেঙ্গুয়েলা স্রোত ও দক্ষিণ নিরক্ষীয় স্রোতের মিলিত প্রবাহ দক্ষিণ আমেরিকার পূর্ব উপকূলে সেন্ট রক অন্তরীপে প্রতিহত হয়ে দুটি শাখায় বিভক্ত হয়ে যায়। এর দক্ষিণের শাখাটি ব্রাজিলের পূর্ব উপকূল বরাবর দক্ষিণে 40° দক্ষিণ অক্ষাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত। এই স্রোত ব্রাজিলস্রোত নামে পরিচিত। অধিক উয়তা ও লবণাক্ততা এই স্রোতের প্রধান বৈশিষ্ট্য। গতিবেগ 28 km/hour।

দশম শ্রেণী ভূগোল | বারিমন্ডল – ব্যাখ্যামূলক উত্তরভিত্তিক প্রশ্নোত্তর : [প্রতিটি প্রশ্নের মান-3]

1. সারগাসসা সি বা শৈবাল সাগর কী?

উত্তর : নিয়ত বায়ু দ্বারা পরিচালিত সমুদ্রস্রোত অনেক সময় সমুদ্রের মধ্যবর্তী অংশে স্রোতের আবর্ত বা ঘূর্ণির সৃষ্টি করে। আবর্তের মধ্যবর্তী অংশ স্রোতহীন হওয়ায় সামুদ্রিক আগাছা ও শৈবাল জন্মায়। স্রোতহীন, আগাছা সমৃদ্ধ সমুদ্রের ওই অংশকে সারােগাসাে সি বা শৈবাল সাগর বলে। উদাহরণ : (i) আটলান্টিক মহাসাগরীয় শৈবাল সাগর, (ii) প্রশান্ত মহাসাগরীয় শৈবাল সাগর।

2. গ্র্যান্ড ব্যাংক কী?

উত্তর : গ্র্যান্ড ব্যাংক হল বিশ্বের বৃহত্তম মগ্নচড়া।

অবস্থান—উত্তর-পশ্চিম আটলান্টিক মহাসাগর, নিউফাউন্ডল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের নিকট অবস্থিত।

উৎপত্তির কারণ—শীতল লাব্রাডার স্রোতের সঙ্গে আসা হিমশৈল উয় উপসাগরীয় স্রোতের সংস্পর্শে গলে গিয়ে সমুদ্র তলদেশে নুড়ি, কাকর, বালি, পলি, কাদা প্রভৃতি সঞ্চিত হয়ে সৃষ্টি হয়েছে। বাণিজ্যিক মৎস্য আহরণের জন্য বিখ্যাত।

3. সমুদ্রস্রোতের চক্ৰগতি বা জায়র (Gyre) বলতে কী বােঝাে?

উত্তর : পৃথিবীর প্রধান তিনটি মহাসাগরে সমুদ্রস্রোতের গতিপথ অনুসরণ করলে দেখা যায় যে সেগুলি চক্রাকারে ঘুরে জলাবর্ত সৃষ্টি করে। একে সমুদ্রস্রোতের চক্রগতি বা জায়র বলে। কোরিওলিস বলের প্রভাবে এটি হয়। এই চক্রগতিতে সমুদ্রস্রোত উত্তর গােলার্ধে দক্ষিণাবর্তে এবং দক্ষিণ গােলার্ধে বামাবর্তে ঘুরতে থাকে।

4. গ্র্যান্ড ব্যাংক মগ্নচড়াটি বাণিজ্যিক মৎস্যক্ষেত্র হিসাবে 
খ্যাতি লাভ করেছে কেন?

উত্তর : কারণগুলি হল—(i) এখানে সমুদ্র অগভীর হওয়ায় সূর্যরশ্মি তলদেশ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। ফলে এখানে মাছের খাদ্য প্ল্যাঙ্কটন প্রচুর পরিমাণে জন্মায়। (ii) উয় ও শীতল স্রোতের মিলনের ফলে এখানে প্রচুর সামুদ্রিক মাছের সমাবেশ ঘটে। (iii) এখানকার নীতিশীতােয় জলবায়ু মাছ শিকার, মাছ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অনুকূল। (iv) এখানে কৃষিজমির অভাব থাকায় মৎস্য আহরণ এখানকার অধিবাসীদের অন্যতম জীবিকা।

5. উয়স্রোত ও শীতলস্রোতের মধ্যে পার্থক্যগুলি লেখাে।

উত্তর : উয়স্রোত ও শীতলস্রোতের মধ্যে পার্থক্যগুলি হল-

উয়ুস্রোত    শীতলস্রোত
(i) ক্রান্তীয় ও উপক্ৰান্তীয় সমুদ্র    (i) মেরু সমুদ্রে এর উৎপত্তি হয়।
(ii) জলের উয়তা প্রবাহিত অঞ্চলের জলের উয়তা অপেক্ষা বেশি।    (ii) জলের উয়তা প্রবাহিত অঞ্চলের জলের উয়তা অপেক্ষা কম।
(iii) সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের উয়তা বাড়ায়। উচ্চ নাতিশীতােয় অঞ্চলের উপকূলে বরফ জমতে দেয় না।    (iii) উয়তা কমায়। উয় অঞ্চলের উপকূলে মনােরম অবস্থা সৃষ্টি করে।

দশম শ্রেণী ভূগোল | বারিমন্ডল – রচনাধর্মী উত্তরভিত্তিক প্রশ্নোত্তর : [প্রতিটি প্রশ্নের মান-5]

1. সমুদ্রস্রোতের প্রভাব লেখাে। অথবা, সমুদ্রস্রোতের গুরুত্ব আলােচনা করাে।

উত্তর : সমুদ্রস্রোত জলবায়ু ও মানুষের অর্থনৈতিক কাজকর্মকে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে। যেমন-

     (1) জলবায়ুর ওপর প্রভাব :
     (i) উয়তার হ্রাসবৃদ্ধিতে : উয় সমুদ্রস্রোত উচ্চঅক্ষাংশীয় অঞ্চলে উয়তা বৃদ্ধি করে। যেমন—উয় উত্তর আটলান্টিক স্রোত নরওয়ের উপকুলীয় অঞ্চলে উয়তা বৃদ্ধি করে। শীতল সমুদ্রস্রোত সংশ্লিষ্ট উপকুলীয় অঞ্চলের উয়তা হ্রাস করে। যেমন— শীতল লাব্রাডার স্রোতের প্রভাবে কানাডার পূর্ব উপকূলের উয়তা হ্রাস পায়।
     (ii) বৃষ্টিপাত ও তুষারপাত : উয় উত্তর আটলান্টিক স্রোতের প্রভাবে ইংল্যান্ডের পশ্চিম উপকুলে বৃষ্টিপাত হয়। অন্যদিকে শীতল বেরিং স্রোতের প্রভাবে রাশিয়ার পূর্ব উপকূলে তুষারপাত হয়।
     (iii) ঝড়ঝঞা ও কুয়াশা : উয় ও শীতল সমুদ্রস্রোতের মিলন স্থলে কুয়াশা, ঝড়-ঝঞ্চার সৃষ্টি হয়।
     (iv) মরুভূমির সৃষ্টি : ক্রান্তীয় অঞ্চলে শীতলস্রোত প্রভাবিত মহাদেশগুলির পশ্চিমাংশে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা কমে গিয়ে উয় মরুভূমি সৃষ্টি করে। যেমন—কালাহারি, সােনেরান, আটাকামা প্রভৃতি মরুভূমি সৃষ্টির অন্যতম কারণ শীতলস্রোত।

     (2) পরিবহন ব্যবস্থার ওপর প্রভাব : (i) সমুদ্রস্রোতের অনুকুলে জাহাজ চলাচলের সুবিধা হয়। (ii) উয় সমুদ্রস্রোত উপকূলীয় অঞ্চলের বন্দরগুলিকে বরফযুক্ত রাখে। (iii) শীতল স্রোতের সঙ্গে আগত হিমশৈল জাহাজ চলাচলে বাধা দেয় ও বিপদ সৃষ্টি করে।

     (3) মাচড়া ও মৎস্য আহরণ : শীতলস্রোতের সঙ্গে আগত বরফ উয়স্রোতের সংস্পর্শে গলে গিয়ে সেই সঙ্গে আসা নুড়ি, বালি, কাদা অধঃক্ষিপ্ত হয়ে অগভীর মগ্নচড়া সৃষ্টি করে। যেখানে প্ল্যাঙ্কটনের প্রাচুর্য থাকায় বিপুল পরিমাণ মৎস্যের সমাবেশ ঘটে ও বাণিজ্যিক মৎস্য আহরণ ক্ষেত্র তৈরি হয়। যেমন—উত্তর পশ্চিম আটলান্টিক মহাসাগরীয় ক্ষেত্র।

     (4) জীবজগতের ওপর প্রভাব : (i) স্রোতের মাধ্যমে সমুদ্রজলের উয়তা নিয়ন্ত্রিত হয় যা সামুদ্রিক জীবের বসবাস নিয়ন্ত্রিত হয়। (i) উম্ন স্রোত সামুদ্রিক জীব, মাছ, প্রবাল, প্ল্যাঙ্কটন বিস্তারের আদর্শ পরিবেশ তৈরি করে। (ii) স্রোতের উর্ধ্বমুখী প্রবাহ বা আবর্তের কারণে লবণতার পরিমাণ নির্ভর করে। (iv) অন্যদিকে এলনিনাের প্রভাবে পেরু চিলি উপকুলে প্ল্যাঙ্কটন ও মাছের ব্যাপক ক্ষতি হয়।

দশম শ্রেণী ভূগোল | বারিমন্ডল – সংক্ষিপ্ত উত্তরভিত্তিক প্রশ্নোত্তর : [প্রতিটি প্রশ্নের মান-2]

1. বানডাকা কাকে বলে?

উত্তর : ভরা কোটালের সময় সমুদ্রের জল সংকীর্ণ নদীমুখে বা চড়াযুক্ত নদীমুখে মােহানা দিয়ে উলটো খাতে, খুব উঁচু হয়ে তীব্র গতিতে নদীতে প্রবেশ করে প্রবল জলােচ্ছ্বাস ঘটায়। একে বান ডাকা বলে। হুগলি, ইয়াংসিকিয়াং, টেমস্ নদীতে বানডাকার সৃষ্টি হয়।

2. সিজিগি কী?

উত্তর : চাঁদ, সূর্য ও পৃথিবীর সরলরৈখিক (180°) অবস্থানকে জ্যোতির্বিজ্ঞানে সিজিগি (Sy Zy Gy) বলে। অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে সিজিগি অবস্থান লক্ষ করা যায়। সিজিগি অবস্থানে জোয়ারভাটার প্রাবল্য বেশি হয়।

3. যাঁড়াযৗড়ি বান কাকে বলে?

উত্তর : প্রবল বর্ষায় ভরা কোটালের সময় জলস্ফীতির মাত্রা এত বেশি হয় যে ওই অবস্থানকে দুটি ষাঁড়ের (নদীর সমুদ্রগামী জল ও জোয়ারের উজানগামী জল) লড়াই বা যুদ্ধকালীন অবস্থার সাথে তুলনা করে একে যাড়া-যাঁড়ির বান বলে। এই সময় জোয়ারের জল 5-10 মিটার উঁচু হয়। উদাহরণ : ভাগীরথী হুগলি নদীতে বর্ষাকালে এই বান দেখা যায়।

4. বেলাের্মি কী?

উত্তর : জোয়ার তরঙ্গের অগ্রগমনকে বেলাের্মি বলা হয়। পৃথিবীর যে যে স্থানবিন্দু সমূহে GMT অনুসারে একই সময় জোয়ার হয়, সেই স্থানগুলিকে একটি কাল্পনিক রেখা দ্বারা যুক্ত করলে যে রেখা পাওয়া যায়, তাকে বলে সহবেলাের্মি রেখা।

5. জোয়ার অন্তর কাকে বলে?

উত্তর : যে কোনাে দুটি জোয়ারের সময়ের ব্যবধানকে জোয়ার অন্তর বলে। সাধারণভাবে পরপর দুটি জোয়ারের (মুখ্য জোয়ার ও গৌণ জোয়ার) সময়ের ব্যবধান প্রায় 12 ঘণ্টা 26 মিনিট। তবে দুটি মুখ্য জোয়ার ও দুটি গৌণ জোয়ারের অন্তর হয় 24 ঘণ্টা 52 মিনিট।

দশম শ্রেণী ভূগোল | বারিমন্ডল – ব্যাখ্যামূলক উত্তরভিত্তিক প্রশ্নোত্তর : [প্রতিটি প্রশ্নের মান-3]

1. মুখ্য জোয়ার ও গৌণ জোয়ারের মধ্যে পার্থক্য আলােচনা করাে।

উত্তর : মুখ্য জোয়ার ও গৌণ জোয়ারের মধ্যে পার্থক্যগুলি হল-

বিষয়    মুখ্য জোয়ার    গৌণ জোয়ার
সংজ্ঞা    পৃথিবী আবর্তনরত অবস্থায় ভূ-পৃষ্ঠের যে অংশ চাদের সম্মুখীন বা সর্বাপেক্ষা নিবর্তী হয়, সেই স্থানের জলরাশি চন্দ্রের আকর্ষণে অধিকমাত্রায় ফুলে উঠে যে জোয়ারের সৃষ্টি হয়, তাকে মুখ্য বা চন্দ্র জোয়ার বলে।    ভূ-পৃষ্ঠের পৃথিবীর যে অংশে মুখ্য জোয়ার হয় তার বিপরীতে প্রতিপাদ স্থানে প্রধানত পৃথিবীর কেন্দ্রাতিগ বলের প্রভাবে যে জোয়ারের সৃষ্টি হয় তাকে গৌণ জোয়ার বলে।
কার্যকরী বল    চাদের আকর্ষণ বল মুখ্য ভূমিকা পৃথিবীর কেন্দ্রাতিগ বল মুখ্য ভূমিকা নেয়।    পৃথিবীর কেন্দ্রাতিগ বল মুখ্য ভূমিকা।
জোয়ারের প্রাবল্য    মুখ্য জোয়ারের প্রাবল্য গৌণ জোয়ারের তুলনায় অনেক বেশি।    গৌণ জোয়ারের প্রাবল্য মুখ্য জোয়ারের তুলনায় বেশ কম।
ভরকেন্দ্রের দূরত্ব    পৃথিবীর ভরকেন্দ্র থেকে মুখ্য জোয়ার স্থানের দূরত্ব কম অর্থাৎ চাদের অধিকতর নিকটবর্তী।    পৃথিবীর ভরকেন্দ্র থেকে গৌণ জোয়ার স্থানের দূরত্ব পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে দূরত্ব অপেক্ষা প্রায় 4800 কিমি অধিক হওয়ায় ওই স্থানে পৃথিবীর আকর্ষণ বল কম, তাই কেন্দ্রাতিগ বলের প্রভাবেই গৌণ জোয়ার হয়।
2. পূর্ণিমা অপেক্ষা অমবস্যার জোয়ার প্রবল হয় কেন তা ব্যাখ্যা করাে।

উত্তর : পূর্ণিমা তিথিতে চঁাদ ও সূর্যের মাঝখানে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করায় পৃথিবীর যে অংশ চাদের ঠিক সামনে আসে সেখানে হয় মুখ্য চান্দ্র জোয়ার এবং প্রতিপাদ স্থানে হয় মুখ্য সৌর জোয়ার। ফলে পূর্ণিমা তিথিতে যে তীব্র জোয়ারের সৃষ্টি হয় তা পূর্ণিমার ভরা জোয়ার বা ভরা কোটাল বলে। অন্যদিকে অমাবস্যা তিথিতে একই সরলরেখায় পৃথিবীর একই দিকে চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করলে তাদের মিলিত আকর্ষণ বল পৃথিবীর একই স্থানে হওয়ায় ওই স্থানে জলরাশি অতি প্রবলমাত্রায় স্ফীত হয় এবং ভরা কোটাল নামে পরিচিত। পূর্ণিমাতে একটি স্থানে চাদের একক মহাকর্ষ শক্তি, অমাবস্যাতে চাঁদ ও সূর্যের যৌথ মহাকর্ষ বল কাজ করায় অমাবস্যার জোয়ারে প্রাবল্য বেশি।

3. দিনে দুবার জোয়ার ভাটার কারণ কী?

উত্তর : আবর্তনের ফলে পৃথিবীর যে অংশ চঁাদের সামনে আসে সেখানে মুখ্য জোয়ার এবং তার বিপরীত প্রান্তে গৌণ জোয়ার হয়। এই দুই স্থানের সমকোণে অবস্থিত স্থানে ভাটা হয়। পৃথিবীর একবার আবর্তনের মধ্যে অর্থাৎ 24 ঘণ্টায় পৃথিবীর প্রতিটি স্থান একবার করে চাঁদের সামনে আসে। ফলে সেই স্থানে মুখ্য জোয়ার ও প্রতিপাদ স্থানে গৌণ জোয়ার হয়। এই গৌণ জোয়ারের 12 ঘন্টা 26 মিনিট পর প্রতিপাদ স্থানটি চাদের সামনে এলে সেখানে মুখ্য জোয়ার হয় এবং প্রথমে যে স্থানে মুখ্য জোয়ার হয়েছিল সেখানে গৌণ জোয়ার হয়। সুতরাং 24 ঘন্টায় একই স্থানে দিনে দুবার জোয়ার এবং জোয়ারের সমকোণী অবস্থানে ভাটা হয়। ভাঁটাও দিনে দু’বার সংঘটিত হয়।

4. অ্যাপােজি ও পেরিজির মধ্যে পার্থক্য লেখাে।

উত্তর : অ্যাপােজি ও পেরিজির মধ্যে পার্থক্য

বিষয়    অ্যাপােজি    পেরিজি
(i) সংজ্ঞা    চাদের পৃথিবী পরিক্রমণ কালে চাঁদ ও পৃথিবীর মধ্যে দূরত্ব যখন সর্বাধিক থাকে সেই অবস্থানকে অ্যাপােজি বলে।    চাদের পৃথিবী পরিক্রমণ কালে চঁাদ ও পৃথিবীর মধ্যে দূরত্ব যখন সবচেয়ে কম থাকে, সেই অবস্থানকে পেরিজি বলে।
(ii) দূরত্ব    অ্যাপােজি অবস্থানে চাঁদ ও পৃথিবীর মধ্যেকার দূরত্ব 4,07,000 কিমি.    পেরিজি অবস্থানে চাঁদ ও পৃথিবীর মধ্যে কার দূরত্ব 3,56,000 কিমি।
(iii) দৃশ্যমান অপর নাম    এই সময় চাঁদকে ছােটো ও অনুজ্জ্বল দেখায়।    এই সময় চঁাদকে অ্যাপােজি অপেক্ষা 12%-14% বড়াে ও 25-30 গুণ বেশি উজ্জ্বল দেখায়।
জোয়ারের তীব্রতা    অ্যাপােজি অবস্থানে জোয়ার ভাটার তীব্রতা কম হয়।    পেরিজি অবস্থান জোয়ারভাটার তীব্রতা বেশি হয়।

দশম শ্রেণী ভূগোল | বারিমন্ডল – রচনাধর্মী উত্তরভিত্তিক প্রশ্নোত্তর : (প্রতিটি প্রশ্নের মান-5]

1. জোয়ার ভাটা কীভাবে সৃষ্টি হয় চিত্রসহ ব্যাখ্যা করাে।

উত্তর : প্রধানত দুটি কারণে পৃথিবীতে জোয়ার ভাটার সৃষ্টি হয়। যথা-(i) পৃথিবীর ওপর চঁদ ও সূর্যের মিলিত মহাকর্ষ বলের প্রভাব এবং (ii) পৃথিবীর আবর্তন জনিত কেন্দ্রাতিগ বলের প্রভাব।

     (i) পৃথিবীর ওপর চাঁদ ও সূর্যের মিলিত মহাকর্ষ বলের প্রভাব : নিউটনের মহাকর্ষ নিয়ম অনুযায়ী পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য পরস্পর পরস্পরকে আকর্ষণ করে। যে বস্তুর ভর যত বেশি আকর্ষণ বল তার তত বেশি এবং যে বস্তুর দূরত্ব যত বেশি তার আকর্ষণ বল তত কম।

     পৃথিবী থেকে সূর্য গড়ে 15 কোটি কিমি দূরে অবস্থিত এবং চাঁদ ও 3 লক্ষ 84 হাজার 400 কিমি দূরে অবস্থিত। তাই পৃথিবীর ওপর চাঁদের আকর্ষণ বল (2.2 গুণ) বেশি। প্রধানত চাঁদের আকর্ষণেই সমুদ্রের জল স্ফীত হয়ে জোয়ারের সৃষ্টি করে। জোয়ারের সমকোণস্থ অঞ্চলের জলতল নেমে গিয়ে ভাটার সৃষ্টি করে। সূর্যের চন্দ্রের চেয়ে প্রায় 255 লক্ষ গুণ ভারি হলেও বহু দূরে (প্রায় 391 গুণ) অবস্থিত হওয়ার জন্য সূর্যের আকর্ষণে জোয়ার তত প্রবল হয় না। সিজিগি অবস্থানে পৃথিবীর একই স্থানে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ কার্যকরী হওয়ায় জোয়ার খুব প্রবল হয়।

     (i) পৃথিবীর আবর্তনজনিত কেন্দ্রাতিগ বলের প্রভাব : পৃথিবীর আবর্তনজনিত কারণে কেন্দ্রাতিগ বলের সৃষ্টি হয়, যার প্রভাবে সমুদ্রের জলরাশি বাইরের দিকে বিক্ষিপ্ত হওয়ায় প্রবণতা লাভ করে। এই বল মহাকর্ষ বলের বিপরীতে কাজ করে। অর্থাৎ চাঁদের আকর্ষণে যে স্থানে জোয়ার হয় তার বিপরীতে প্রতিপাদ স্থানে কেন্দ্রাতিগ বল অধিক কার্যকরী হওয়ায় সেখানে জোয়ার (গৌণ জোয়ার) হয়, তবে প্রাবল্য তুলনামূলক কম। জোয়ারের স্থানে বিপুল জলরাশি সরবরাহের জন্য এদের মধ্যবর্তী সমকোণস্থ স্থানগুলিতে জলতল নেমে গিয়ে ভাটার সৃষ্টি করে।

     এছাড়া, সমুদ্রতলের ঢাল, তটভূমির প্রকৃতি, জলস্তরের ওঠানামা, জলের পৃষ্ঠতলে বায়ুর গতিশক্তির ঘর্ষণ প্রভৃতি জোয়ারভাটা সৃষ্টিতে পরােক্ষভাবে প্রভাব বিস্তার করে।

2. ভরা কোটাল এবং মরা কোটাল কীভাবে সৃষ্টি হয় ব্যাখ্যা করাে।

উত্তর : ভরা কোটাল : আবর্তনকালে পূর্ণিমা ও অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য একই সরলরেখায় অবস্থান করে (সিজিগি অবস্থান)। এই সময় জোয়ার অতি প্রবল হয় এবং সাধারণ জোয়ার অপেক্ষা 20% জল বেশি ফুলে ওঠে। একেই ভরা কোটাল বলে।

     পূর্ণিমায় ভরা কোটাল : পূর্ণিমা তিথিতে সিজিগি অবস্থানে পৃথিবী থাকে চাদ ও সূর্যের মাঝখানে (প্রতিযােগ)। এই অবস্থায় চাঁদের আকর্ষণে জোয়ার প্রবল আকার নেয় এবং বিপরীত অংশে কেন্দ্রাতিগ বলের প্রভাব ও সূর্যের আকর্ষণেও জোয়ার প্রবল হয়। একেই পূর্ণিমার ভরা কোটাল বা তেজ কোটাল বলে।

     অমাবস্যায় ভরা কোটাল : অমাবস্যা তিথিতে সিজিগি অবস্থানে চাদ থাকে পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে (সংযােগ)। এই অবস্থায় পৃথিবীর যে অংশে চাদের আকর্ষণ বল কাজ করে সেখানেই সূর্যের আকর্ষণ বলও কাজ করে। ফলে জল প্রবলভাবে ফুলে ওঠে এবং জোয়ার অতি প্রবল আকার নেয়। একে অমাবস্যার ভরা কোটাল বা তেজ কোটাল বলে। পূর্ণিমার ভরা কোটাল অপেক্ষা অমাবস্যার ভরা কোটাল অনেক তেজি হয়।

     মরা কোটাল বা মরা জোয়ার : কৃয় ও শুক্লপক্ষের অষ্টমী তিথিতে পৃথিবীর সাপেক্ষে চাঁদ ও সূর্য পরস্পরের সমকোণে অবস্থান করে। এরূপ অবস্থায় পৃথিবীর যে অংশ চাঁদের ঠিক সামনে থাকে সেখানে জোয়ার হয়। এক্ষেত্রে চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ বল পরস্পরের বিপরীতে কাজ করে বলে সমুদ্রের জলরাশি সেভাবে ফুলে ওঠে না। অষ্টমী তিথির এই জোয়ারকে মরা কোটাল বা মরা জোয়ার বলে।
আরোও দেখুন:-
WBBSE Class 10th Geography Suggestion Click here
বিনামূল্যে ডাউনলোড করুন:-
দশম শ্রেণী ভূগোল সাজেশন | WBBSE Class 10th Geography Suggestion Click here

Info : WBBSE Class 10th Geography Suggestion | West Bengal Madhyamik Geography Qustion and Answer.

দশম শ্রেণী ভূগোল | মাধ্যমিক ভূগোল – বারিমন্ডল – প্রশ্ন উত্তর 

” মাধ্যমিক  ভূগোল – বারিমন্ডল – প্রশ্ন উত্তর  “ একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ টপিক মাধ্যমিক পরীক্ষা (Madhyamik / WB Madhyamik / MP Exam / West Bengal Board of Secondary Education – WBBSE Madhyamik Exam / Madhyamik Class 10th / Class X / Madhyamik Pariksha) এবং বিভিন্ন চাকরির (WBCS, WBSSC, RAIL, PSC, DEFENCE) পরীক্ষায় এখান থেকে প্রশ্ন অবশ্যম্ভাবী । সে কথা মাথায় রেখে BhugolShiksha.com এর পক্ষ থেকে মাধ্যমিক (দশম শ্রেণী) ভূগোল পরীক্ষা প্রস্তুতিমূলক অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর এবং সাজেশন (WBBSE Class 10th Geography Suggestion / West Bengal Board of Secondary Education – WBBSE Geography Suggestion / Madhyamik Class 10th Geography Suggestion / Class X Geography Suggestion / Madhyamik Pariksha Geography Suggestion / Geography Madhyamik Exam Guide / MCQ , Short , Descriptive  Type Question and Answer. / WBBSE Class 10th Geography Suggestion FREE PDF Download) উপস্থাপনের প্রচেষ্টা করা হলাে। ছাত্রছাত্রী, পরীক্ষার্থীদের উপকারেলাগলে, আমাদের প্রয়াস মাধ্যমিক (দশম শ্রেণী) ভূগোল পরীক্ষা প্রস্তুতিমূলক প্রশ্নোত্তর এবং সাজেশন (WBBSE Class 10th Geography Suggestion / West Bengal Board of Secondary Education – WBBSE Geography Suggestion / Madhyamik Class 10th Geography Suggestion / Class X Geography Suggestion / Madhyamik Pariksha Geography Suggestion / WBBSE Class 10th Geography Exam Guide / MCQ , Short , Descriptive  Type Question and Answer. / WBBSE Class 10th Geography Suggestion FREE PDF Download) সফল হবে।

WBBSE Class 10th Geography | মাধ্যমিক ভূগোল – বারিমন্ডল – প্রশ্ন উত্তর 

WBBSE Class 10th Geography (মাধ্যমিক ভূগোল) – বারিমন্ডল – প্রশ্ন উত্তর 

WBBSE Class 10th Geography Suggestion | দশম শ্রেণী ভূগোল – বারিমন্ডল – প্রশ্ন উত্তর 

WBBSE Class 10th Geography Suggestion (দশম শ্রেণী ভূগোল) – বারিমন্ডল – প্রশ্ন উত্তর 

WBBSE Class 10th Geography Question and Answer | মাধ্যমিক ভূগোল প্রশ্ন ও উত্তর – বারিমন্ডল – প্রশ্ন উত্তর 

WBBSE Class 10th Geography Question and Answer (মাধ্যমিক ভূগোল প্রশ্ন ও উত্তর) – বারিমন্ডল – প্রশ্ন উত্তর 

WB WBBSE Class 10th Geography Suggestion | দশম শ্রেণী ভূগোল – বারিমন্ডল – প্রশ্ন উত্তর 

WB WBBSE Class 10th Geography Suggestion (দশম শ্রেণী ভূগোল) – বারিমন্ডল – প্রশ্ন উত্তর 

West Bengal WBBSE Class 10th Geography Suggestion | দশম শ্রেণী ভূগোল – বারিমন্ডল – প্রশ্ন উত্তর 

West Bengal WBBSE Class 10th Geography Suggestion (দশম শ্রেণী ভূগোল) – বারিমন্ডল – প্রশ্ন উত্তর 

WBBSE Class 10th WBBSE Class 10th Geography Suggestion | দশম শ্রেণী ভূগোল | মাধ্যমিক ভূগোল | বারিমন্ডল – প্রশ্ন উত্তর 

WBBSE Class 10th WBBSE Class 10th Geography Suggestion | দশম শ্রেণী ভূগোল | মাধ্যমিক ভূগোল | বারিমন্ডল – প্রশ্ন উত্তর 

West Bengal Madhyamik  Geography Suggestion Download. WBBSE WBBSE Class 10th Geography short question suggestion. WBBSE Class 10th Geography Suggestion  download. Madhyamik Question Paper Geography. WB Madhyamik 2019 Geography suggestion and important questions. Madhyamik Suggestion  pdf.পশ্চিমবঙ্গ মাধ্যমিক ভূগোল পরীক্ষার সম্ভাব্য প্রশ্ন উত্তর ও শেষ মুহূর্তের সাজেশন ডাউনলোড। মাধ্যমিক ভূগোল পরীক্ষার জন্য সমস্ত রকম গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

Get the WBBSE Class 10th Geography Suggestion by BhugolShiksha.com

 West Bengal WBBSE Class 10th Geography Suggestion  prepared by expert subject teachers. WB Madhyamik Geography Suggestion with 100% Common in the Examination.

West Bengal Board of Secondary Education (WBBSE) 

will organize Madhyamik (Madhyamik)  Examination on the last week of February and continue up to the middle of March. Like every year Team BhugolShiksha.com published Madhyamik  All subjects suggestion.

West Bengal Madhyamik Geography Syllabus PDF

The Following document gives the topic wise complete syllabus for West Bengal Madhyamik exams for both Class 9 and 10. Candidates can refer to this PDF for any doubts regarding the syllabus. 

Madhyamik WBBSE Class 10th Geography complete syllabus Click Here to Download

WBBSE Geography Suggestion | West Bengal Madhyamik Exam

WBBSE Class 10th Geography Suggestion  Download PDF: WBBSE Madhyamik Class 10th Geography Suggestion is provided here. WB Madhyamik  Geography Suggestion Questions Answers PDF Download.

Class 10th Geography Suggestion

Class 10th Geography Suggestion  has been provided here. Class 10th Geography Suggestion questions are very much common for the upcoming WBBSE Class 10th Geography examination. Download the solved Class 10th (X) question paper of Geography Subject Provided here. These common questions can be downloaded free. Moreover, you can easily check West Bengal মাধ্যমিক ভূগোল expected common questions for upcoming Madhyamik 10th Exam.

WBBSE Class 10th Geography Suggestion

WB WBBSE Class 10th Geography Suggestion Question and answer. The questions you should practice repeatedly however we can not guarantee that the questions will be 100% common. Hence, you should read the textbook of class 10th thoroughly for 100% sure suggestions. We also advise the WBBSE Madhyamik Students for  year that they read their textbook multiple times and solve the questions.

    স্কুল, কলেজ ও বিভিন্ন ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনার ডিজিটাল মাধ্যম BhugolShiksha.com । এর প্রধান উদ্দেশ্য পঞ্চম শ্রেণী থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর (মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক) সমস্ত বিষয় এবং গ্রাজুয়েশনের শুধুমাত্র ভূগোল বিষয়কে  সহজ বাংলা ভাষায় আলোচনার মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের কাছে সহজ করে তোলা। এছাড়াও সাধারণ-জ্ঞান, পরীক্ষা প্রস্তুতি, ভ্রমণ গাইড, আশ্চর্যজনক তথ্য, সফল ব্যাক্তিদের জীবনী, বিখ্যাত ব্যাক্তিদের উক্তি,  প্রাণী জ্ঞান, কম্পিউটার, বিজ্ঞান ও বিবিধ প্রবন্ধের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের মননকে বিকশিত করে তোলা।
        আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ সময় করে আমাদের এই (দশম শ্রেণী ভূগোল | বারিমন্ডল – প্রশ্ন উত্তর সাজেশন | WBBSE Class 10th Geography Suggestion) পােস্টটি পড়ার জন্য। এই ভাবেই ভূগোল শিক্ষা – BhugolShiksha.com ওয়েবসাইটের পাশে থাকুন। বিভিন্ন বিষয়ের যেকোনো প্ৰশ্ন উত্তর জানতে এই ওয়েবসাইট টি ফলাে করুন এবং নিজেকে  তথ্য সমৃদ্ধ করে তুলুন , ধন্যবাদ।
নিচের বাটনে ক্লিক করে শেয়ার করেন বন্ধুদের মাঝে