একাদশ শ্রেণী ইতিহাস - রাষ্ট্রের প্রকৃতি এবং এর উপাদান (চতুর্থ অধ্যায়) প্রশ্ন ও উত্তর | Class 11 History Question and Answer
একাদশ শ্রেণী ইতিহাস - রাষ্ট্রের প্রকৃতি এবং এর উপাদান (চতুর্থ অধ্যায়) প্রশ্ন ও উত্তর | Class 11 History Question and Answer

একাদশ শ্রেণী ইতিহাস প্রশ্ন ও উত্তর

রাষ্ট্রের প্রকৃতি এবং এর উপাদান (চতুর্থ অধ্যায়) | Class 11 History Question and Answer

একাদশ শ্রেণী ইতিহাস প্রশ্ন ও উত্তর : রাষ্ট্রের প্রকৃতি এবং এর উপাদান (চতুর্থ অধ্যায়) Class 11 History Question and Answer : একাদশ শ্রেণী ইতিহাস – রাষ্ট্রের প্রকৃতি এবং এর উপাদান (চতুর্থ অধ্যায়) প্রশ্ন ও উত্তর | Class 11 History Question and Answer নিচে দেওয়া হলো। এই একাদশ শ্রেণির ইতিহাস প্রশ্ন ও উত্তর – WBCHSE Class 11 History Question and Answer, Suggestion, Notes – রাষ্ট্রের প্রকৃতি এবং এর উপাদান (চতুর্থ অধ্যায়) থেকে বহুবিকল্পভিত্তিক, সংক্ষিপ্ত, অতিসংক্ষিপ্ত এবং রোচনাধর্মী প্রশ্ন উত্তর (MCQ, Very Short, Short,  Descriptive Question and Answer) গুলি আগামী West Bengal Class 11th Eleven XI History Examination – পশ্চিমবঙ্গ একাদশ শ্রেণী ইতিহাস পরীক্ষার জন্য খুব ইম্পর্টেন্ট।

 তোমরা যারা রাষ্ট্রের প্রকৃতি এবং এর উপাদান (চতুর্থ অধ্যায়) – একাদশ শ্রেণী ইতিহাস প্রশ্ন ও উত্তর | Class 11 History Question and Answer Question and Answer খুঁজে চলেছ, তারা নিচে দেওয়া প্রশ্ন ও উত্তর গুলো ভালো করে পড়তে পারো। 

রাষ্ট্রের প্রকৃতি এবং এর উপাদান (চতুর্থ অধ্যায়) – পশ্চিমবঙ্গ একাদশ শ্রেণির ইতিহাস প্রশ্ন ও উত্তর | West Bengal Class 11th History Question and Answer

MCQ প্রশ্নোত্তর | একাদশ শ্রেণী ইতিহাস – রাষ্ট্রের প্রকৃতি এবং এর উপাদান (চতুর্থ অধ্যায়) প্রশ্ন ও উত্তর | Class 11 History Question and Answer : 

  1. ভারতের ম্যাকিয়াভেলি ’ কাকে বলা হয় ? 

(A) চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যকে 

(B) কৌটিল্যকে 

(C) সমুদ্রগুপ্তকে 

(D) অশোককে 

Ans: (B) কৌটিল্যকে

  1. সিসেরো আইনকে ভাগ করেছেন—  

(A) পাঁচ ভাগে 

(B) দুই ভাগে  

(C) চার ভাগে 

(D) তিন ভাগে 

Ans: (B) দুই ভাগে

  1. আধুনিক রাষ্ট্রচিন্তার জনক বলা হয়— 

(A) পলিবিয়াসকে 

(B) প্লেটোকে 

(C) ম্যাকিয়াভেলিকে 

(D) অ্যারিস্টটলকে 

Ans: (C) ম্যাকিয়াভেলিকে

  1. চিনের ম্যান্ডারিন ব্যবস্থার অবসান কখন হয় ? 

(A) 1911 খ্রিস্টাব্দে 

(B) 1922 খ্রিস্টাব্দে 

(C) 1949 খ্রিস্টাব্দে 

(D) 1905 খ্রিস্টাব্দে 

Ans: (A) 1911 খ্রিস্টাব্দে

  1. খলিফার 1229 খ্রিস্টাব্দে সুলতান ____ স্বীকৃতি লাভ করেন ৷ 

(A) কুতুবউদ্দিন 

(B) বলবন 

(C) মামুদ

(D) ইলতুৎমিশ

Ans: (D) ইলতুৎমিশ

  1. কৌটিল্যের আসল নাম কী ? 

(A) বিষ্ণুগুপ্ত 

(B) বিয়ুপদ 

(C) বিষ্ণুশর্মা 

(D) চাণক্য 

Ans: (A) বিষ্ণুগুপ্ত

  1. ‘ অর্থশাস্ত্রের ’ লেখক হলেন— 

(A) সন্ধ্যাকর নন্দী 

(B) মেগাস্থিনিস 

(C) কৌটিল্য 

(D) কালিদাস

Ans: (C) কৌটিল্য

  1. সুলতানি যুগের ঐতিহাসিক হলেন—

(A) আফিফ 

(B) সন্ধ্যাকর নন্দী 

(C) জিয়াউদ্দিন বারনি 

(D) আমির খসরু

Ans: (D) আমির খসরু

  1. সিসেরো ছিলেন— 

(A) অ্যারিস্টটলের একজন ছাত্র 

(B) একজন রোমান বিচারক 

(C) একজন প্রখ্যাত রোমান রাজনীতিবিদ এবং আইনজ্ঞ 

(D) একজন গ্রিক রাজনীতিবিদ এবং আইনজ্ঞ 

Ans; (C) একজন প্রখ্যাত রোমান রাজনীতিবিদ এবং আইনজ্ঞ 

  1. টমাস ক্রমওয়েল ‘ অ্যাক্ট অব সুপ্রিমেসি ’ ঘোষণা করেন— 

(A) 1536 খ্রিস্টাব্দে 

(B) 1530 খ্রিস্টাব্দে 

(C) 1539 খ্রিস্টাব্দে 

(D) 1534 খ্রিস্টাব্দে 

Ans: (D) 1534 খ্রিস্টাব্দে

  1. রাষ্ট্রের ‘ সার্বভৌমত্ব তত্ত্বের প্রধান প্রবক্তা হলেন 

(A) জাঁ বোঁদা 

(B) টমাস হস

(C) জাঁ রুশো

(D) সিসেরো

Ans: (A) জাঁ বোঁদা

  1. ‘ দ্য সোশ্যাল কন্ট্রাক্ট ‘ গ্রন্থের রচয়িতা হলেন— 

(A) মস্তেস্কু

(B) রুশো 

(C) বেন্থাম 

(D) জন লক

Ans: (B) রুশো

  1. ‘ ইকতা ‘ প্রথার প্রবর্তক হলেন— 

(A) রাজিয়া 

(B) ইলতুৎমিশ

(C) আলাউদ্দিন খলজি 

(D) বলবন 

Ans: (B) ইলতুৎমিশ

  1. মোগল যুগে মনসবদারিপ্রথা প্রবর্তন করেন— 

(A) আকবর 

(B) ঔরঙ্গজেব 

(C) শাহজাহান 

(D) হুমায়ুন 

Ans: (A) আকবর

  1. ক্ষত্রপ ব্যবস্থা প্রচলিত ছিল— 

(A) রোমান সাম্রাজ্যে 

(B) পারস্য সাম্রাজ্যে 

(C) মৌর্য সাম্রাজ্যে 

(D) ম্যাসিডোনীয় সাম্রাজে 

Ans: (B) পারস্য সাম্রাজ্যে

  1. ইংরেজি Mandarin শব্দটি এসেছে 

(A) পোর্তুগিজ শব্দ থেকে 

(B) ডাচ শব্দ থেকে 

(C) লাতিন শব্দ থেকে 

(D) ফরাসি শব্দ থেকে 

Ans: (A) পোর্তুগিজ শব্দ থেকে

অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর | একাদশ শ্রেণী ইতিহাস – রাষ্ট্রের প্রকৃতি এবং এর উপাদান (চতুর্থ অধ্যায়) প্রশ্ন ও উত্তর | Class 11 History Question and Answer : 

  1. ‘ অর্থশাস্ত্র ‘ কী ? 

Ans: কৌটিল্যের লেখা রাষ্ট্রনীতি বিষয়ক একটি গ্রন্থ হলো অর্থশাস্ত্র । 

  1. অর্থশাস্ত্রের বিষয়বস্তু কী ছিল ? 

Ans: চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের সময়ের আর্থ – সামাজিক , রাজনৈতিক ও বিচার সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে । 

  1. কে , কবে ‘ অর্থশাস্ত্র ‘ আবিষ্কার করেন ? 

Ans: ড : শ্যাম শাস্ত্রী 1904 খ্রিস্টাব্দে অর্থশাস্ত্র আবিষ্কার করেন যা 1909 খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত হয় । 

  1. মণ্ডল তথ্য কী ?

Ans: কৌটিল্যের মতে , নিরাপত্তার প্রয়োজনে প্রতিটি রাষ্ট্রের উচিত তার দূর প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখা যা মণ্ডল তথ্য নামে পরিচিত । 

  1. কৌটিল্য কী কী দুর্গের উল্লেখ করেছেন ? 

Ans: গিরিদুর্গ , মরুদুর্গ , জলদুর্গ , বনদুর্গ ।

  1. কৌটিল্যের মতে রাষ্ট্রের সপ্তমিত্র কয় প্রকার ও কী কী ? 

Ans: দুই প্রকার । যথা — সহজ ও কৃত্রিম । 

  1. কৌটিল্যের কূটনীতির চারটি উপাদান কী কী ?

Ans: সাম , দান , দণ্ড এবং ভেদ । 

  1. বারনির রাষ্ট্রচিন্তার উৎস কী ? 

Ans: গ্রিক দার্শনিক প্লেটোর ‘ রিপাবলিক ‘ এবং অ্যারিস্টটল রচিত ‘ পলিটিক্স ‘ এই দুই গ্রন্থের মূলতত্ত্বই ছিল বারনির রাষ্ট্রচিন্তার মূল উৎস ।

  1. বারনির মতে মধ্যযুগের সুলতানদের প্রধান দায়িত্ব কী ? 

Ans: সমস্ত প্রজার ধর্মরক্ষা করা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা । 

  1. ধর্মীয় রাষ্ট্রের দু’টি মুখ্য বৈশিষ্ট্য কী ? 

Ans: ঈশ্বরের প্রতিনিধি খলিফার হয়ে সুলতান রাষ্ট্র পরিচালনা করেন এবং ঈশ্বরের নির্দেশই হলো আইন । 

  1. অ্যাক্ট অব সুপ্রিমেসি আইন কে পাশ করেন ?

Ans: ইংল্যান্ডের মন্ত্রী টমাস ক্রমওয়েল । 

  1. কে নিজেকে সুপ্রিম হেড অব দ্য চার্চ বলেন ?

Ans: ইংল্যান্ডের রাজা সপ্তম হেনরি । 

  1. টমাস ক্রমওয়েল কে ছিলেন ? 

Ans: ইংল্যান্ডের টিউটর রাজবংশের সময়ের একজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী ।

  1. ম্যাকিয়াভেলির রাষ্ট্রচিন্তার ভিত্তি কী ছিল ?

Ans: রাষ্ট্রচিন্তার ভিত্তি ছিল মানুষ যেখানে ঈশ্বরের পরিবর্তে মানুষকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হতো । 

  1. ম্যাকিয়াভেলি রচিত দু’টি গ্রন্থের নাম লেখো ।

Ans: দ্য প্রিন্স এবং ডিসকোসেস অন লিভি । 

  1. কাকে , কেন আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক বলা হয় ? 

Ans: ম্যাকিয়াভেলি সর্বপ্রথম ধর্মীয় জীবন থেকে রাষ্ট্রজীবনকে মুক্ত করেন এবং আধুনিক রাষ্ট্রচিন্তার ভিত্তি প্রতিষ্ঠা করেন । তাই তাঁকে আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক বলা হয় । 

  1. হবসের লেভিয়াথান গ্রন্থ রচনার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট কী ছিল ? 

Ans: সমকালীন ইংল্যান্ডের সমাজ ও রাজনীতিতে যে নৈরাজ্য অস্থিরতা ছিল তা এই গ্রন্থের প্রেক্ষাপট গড়ে তুলেছিল । 

  1. হবসের লেভিয়াথান গ্রন্থটিকে ক’টি ভাগে ভাগ করা যায় ?

Ans: চারটি । যথা — মানুষ , রাষ্ট্র , খ্রিস্টীয় রাষ্ট্র এবং তমসার রাজ্য । 

  1. রুশোর রাষ্ট্রদর্শনের মূল বিষয় কী ?

Ans: সামাজিক চুক্তি মতবাদ । তাঁর মতে , রাষ্ট্র হলো এক উন্নয়নশীল , সুসভ্যকারী যাবনিক এবং শিক্ষাদায়ী শক্তি । 

  1. রুশোর সাধারণ শিক্ষাতত্ত্বটি কী ? 

Ans: রুশোর ধারণা সামাজিক চুক্তির মধ্যে দিয়ে যে মিলিত শক্তি গড়ে ওঠে তা হলো সাধারণ ইচ্ছা । এধরনের ইচ্ছা সমাজের প্রত্যেকের মধ্যে রয়েছে যা সকলে মেনে চলতে বাধ্য । 

  1. হিতবাদ কী ? 

Ans: হিতবাদের মূলকথা সর্বাধিক সংখ্যক মানুষের সুখ লাভ । এর অর্থ বিভিন্ন ব্যক্তির মধ্যে দ্বন্দ্ব বাধলে রাষ্ট্রের কর্তব্য সর্বাধিক মানুষের সর্বোচ্চ পরিমাণ হিতসাধন করা । 

  1. স্যাট্রাপ কী ? 

Ans: পারস্যের আর্কিমেনীয় প্রদেশের প্রাদেশিক শাসন কর্তাদের বলা হতো স্যাট্রাপ । 

  1. ম্যান্ডারিন বলতে কী বোঝায় ? 

Ans: ম্যান্ডারিন হলো সাম্রাজ্যবাদী চিনের আমলা — চিনা শাসনতন্ত্রে যাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল । 

  1. চিনে কেন ম্যান্ডারিন ব্যবস্থার প্রচলন ঘটে ?

Ans: প্রাচীন চিনে উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মচারী বা আমলারা সম্রাটকে এড়িয়ে জনগণকে বেশি গুরুত্ব দিত । তাই চিনে আমলা ব্যবস্থার পরিবর্তে এর প্রচলন ঘটে। 

  1. ইকতা কী ? 

Ans: ইকতা কথার অর্থ ভাগ বা অংশ । ইলতুৎমিশ প্রাদেশিক শাসন ব্যবস্থা পরিচালনার জন্য ইকতা ব্যবস্থার প্রচলন করেন । 

  1. কে , কবে মনসবদারি প্রথা চালু করেন ?

Ans: 1577 খ্রিস্টাব্দে , মুঘল সম্রাট আকবর । 

রচনাধর্মী প্রশ্নোত্তর | একাদশ শ্রেণী ইতিহাস – রাষ্ট্রের প্রকৃতি এবং এর উপাদান (চতুর্থ অধ্যায়) প্রশ্ন ও উত্তর | Class 11 History Question and Answer : 

  1. দিল্লির সুলতানি আমলে ইকতাদারদের পরিচালনাধীন ইকতাপ্রথার বিবরণ দাও । এই প্রথার বিবর্তন ও ফলাফল উল্লেখ করো ।

Ans: সূচনা : দিল্লির সুলতানি শাসনে ইলতুৎমিশ সর্বপ্রথম ইকতাপ্রথা প্রবর্তন করেন । মূলত প্রাদেশিক শাসনকার্য পরিচালনা করার জন্য তিনি এই প্রথা প্রবর্তন করেছিলেন । 

অর্থ : ইকতা কথার অর্থ হলো ভাগ বা অংশ । অর্থাৎ জমি থেকে উৎপাদিত ফসলের কিছু অংশ রাজস্ব হিসেবে রাজাকে প্রদান করতে হবে , যা ছিল একপ্রকার ‘ Poll Tax . ‘ 

প্রবর্তন : ভারতে ইকতা ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন ইলতুৎমিশ , যদিও মধ্য এশিয়াতে এর বহু পূর্ব থেকেই ইকতা ব্যবস্থার প্রচলন ছিল । 

উদ্দেশ্য : ইকতাপ্রথা প্রবর্তনের উদ্দেশ্য ছিল— 

সুলতানগণ ইকতা প্রদানের মধ্য দিয়ে আসলে আমির – ওমরাহদের সন্তুষ্ট করতে চেয়েছিলেন । 

সাম্রাজ্যের দূরবর্তী প্রদেশগুলিতে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকে শক্তিশালী করার জন্য ইকতা প্রথার প্রবর্তন হয়েছিল । 

দিল্লির সুলতানিকে সুরক্ষিত ও দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য সামন্ততন্ত্রের ধ্বংসসাধন প্রয়োজন ছিল । 

বৈশিষ্ট্য : ইকতা ব্যবস্থার প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি ছিল এইরকম— 

 ইকতা গ্রহীতাগণ পরিচিত ছিল মাকতি নামে এবং ইকতাদার নামে । 

ইকতাদারগণ কৃষকের কাছ থেকে নিয়মিত রাজস্ব আদায় করত । 

 রাজস্ব দেওয়ার পর সাধারণ প্রজাদের জীবন ও সম্পত্তির ওপর ইকতাদারদের কোনো অধিকার থাকত না ।

ইকতাপ্রথার বিবর্তন : ইকতাপ্রথার প্রবর্তনে বলা যায়— 

ইলতুৎমিশের সময় : ইকতাপ্রথা প্রবর্তনের পর সুলতান ইলতুৎমিশ একে একটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে উদ্যোগী হয়েছিলেন সেইজন্য বংশপরম্পরায় ইকতার অধিকার বাতিল করে ইকতাদারদের বদলির ব্যবস্থা করেন । 

বলবনের সময় : গিয়াসউদ্দিন বলবন রাজ্যের সমস্ত ইক্তাদারদের একটি তালিকা তৈরি করেন যাতে ইকতাদারগণ রাজস্বে কোনো ফাঁকি দিতে না পারে । 

আলাউদ্দিন খলজির সময়কালে : আলাউদ্দিন খলজি সেনাদের ইকতাদানের পরিবর্তে নগদ বেতনদানের রীতির প্রচলন করেন । 

ফলাফল : ইকতা প্রবর্তনের দীর্ঘস্থায়ী ফলাফল ছিল এইরকম— 

শহরের শ্রীবৃদ্ধি : ইকতা ব্যবস্থার দ্বারা ভারতের বিভিন্ন শহরের বাণিজ্য ব্যবস্থার উন্নতি হয় যা একাধিক শহরের শ্রীবৃদ্ধি করতে সহায়ক হয়েছিল । 

কৃষক শ্রেণির দুর্দশা বৃদ্ধি : অনেক সময় ইকতাদারগণ নিজেদের নির্দিষ্ট ইকতাটি অপরকে ইজারা দিত । ফলে ইকতাদারগণ অতিরিক্ত মুনাফা লাভের আশায় কৃষক সমাজের উপর আর্থিক শোষণ চালাত যা কৃষকের দুর্দশা অনেক অংশে বৃদ্ধি করেছিল। 

পূর্ববর্তী শাসকদের মর্যাদা হ্রাস : ইকতা ব্যবস্থার পূর্ববর্তী গ্রামীণ শাসক শ্রেণির সামাজিক মর্যাদা অনেক অংশে হ্রাস পেয়েছিল । 

মন্তব্য : ইকতা ব্যবস্থা একদিকে যেমন সুলতানি বংশের সুলতান তথা ইকতা ব্যবস্থায় নিযুক্ত কর্মচারীদের আর্থিকভাবে শক্তিশালী করেছিল ঠিক তেমনি কৃষক সম্প্রদায়ের ওপর তা অতিরিক্ত বোঝাস্বরূপ হয়ে উঠেছিল । 

  1. অর্থশাস্ত্রের বিষয়বস্তু ও প্রকৃতি উল্লেখ করো ।

Ans: সূচনা : প্রাচীন ভারতীয় সমাজে খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতক পরবর্তী বিশেষ করে মৌর্য যুগ সম্পর্কে বিস্তারিত জানবার অন্যতম নির্ভরযোগ্য উপাদান ছিল কৌটিল্য রচিত অর্থশাস্ত্র । এই গ্রন্থের অন্তর্নিহিত বিষয় ছিল রাষ্ট্রনীতি । এই গ্রন্থ ‘ তন্ত্র ’ , ‘ আবাপ ‘ এই দুই অংশে বিভক্ত হয়ে বিস্তারিত আলোচিত হয়েছে ।

আবাপ অংশে আলোচিত বিষয় : এই অংশে সমগ্র সাম্রাজ্যের সাথে প্রতিবেশী ছোটো – বড়ো সকল রাষ্ট্রের সম্পর্ক , কূটনৈতিক কৌশল , যুদ্ধকৌশল এবং মণ্ডল তথ্য সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে । 

বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ : উপরিউক্ত বিষয়গুলি ছাড়াও কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্রে রাজার শাসন , প্রজার স্বার্থরক্ষা , দণ্ডবিধি , কূটনীতি গ্রহণ , গুপ্তচর নিয়োগ এবং যুদ্ধ পরিচালনার পদ্ধতি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে । 

অর্থশাস্ত্রের প্রকৃতি— 

রাষ্ট্রনীতিবিদ্যা : কৌটিল্য রচিত অর্থশাস্ত্রকে রাষ্ট্রনীতির সমর্থক বলা হয়েছে । রাজ্য শাসনের জন্য বাজার যেসকল নিয়মনীতি অনুসরণ করা উচিত তা হলো রাষ্ট্রনীতি । অর্থশাস্ত্রে দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইন ছাড়াও রাজার ব্যক্তিগত আইন ও নিয়ম সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে । 

ধর্মনিরপেক্ষ প্রশাসনিক তত্ত্ব : অর্থশাস্ত্রে কোনো নির্দিষ্ট ধর্মকে কেন্দ্র করে আলোচনা করা হয়নি । এখানে ধর্মনিরপেক্ষ প্রশাসনিক পরিচালনার বিষয় বলা হয়েছে । মূলত অর্থশাস্ত্র ছিল ধর্মনিরপেক্ষ প্রশাসনিক তত্ত্ব । 

ভূমিসংরক্ষণ বিদ্যা : অর্থশাস্ত্র হলো ভূমিরূপ রাজ্যজয় ও তার সংরক্ষণ বিদ্যা বিষয়ক গ্রন্থ । এই গ্রন্থ থেকেই মৌর্য সাম্রাজ্যকে রক্ষণাবেক্ষণের ধারণা মেলে । উদাহরণ হিসেবে মণ্ডল তথ্যের কথা বলা যেতে পারে । 

  1. রুশো ও মস্তেস্কর রাষ্ট্রদর্শনের সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও । 

Ans: সূচনা : ইউরোপীয় রাষ্ট্রচিন্তার জগতে জ্যা জ্যাক রুশো এবং মস্তেস্থ ছিলেন বিশ্ববিখ্যাত দার্শনিক । মানুষের জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে রাষ্ট্রচিন্তার বিভিন্ন দিক তাঁরা ফুটিয়ে তুলেছেন ।

রুশোর রাষ্ট্রদর্শন : রাষ্ট্রচিন্তাবিদ রুশো মূলত সামাজিক চুক্তি মতবাদ , সাধারণের ইচ্ছা ও প্রকৃতির রাজ্য — এই তিনটি বিষয়কে কেন্দ্র করে তাঁর রাষ্ট্রদর্শনে গণতন্ত্র ও সাম্যবাদের প্রতিফলন ঘটিয়েছেন। 

গ্রন্থাবলি : রুশো রচিত বিখ্যাত গ্রন্থাবলির মধ্যে — ‘ দ্য সোশ্যাল কনট্রাক্ট ’ , ‘ এ ডিসকোর্স অন দ্য অরিজিন অব ইনইকুয়ালিটি ’ , ‘ এমিল ’ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য । 

রাষ্ট্রভাবনা : 

প্রকৃতির রাজ্য : দার্শনিক রুশো প্রকৃতির রাজ্য বলতে বুঝিয়েছেন , যেখানে মানুষের মধ্যে মধুর ও আন্তরিকতার সম্পর্ক বজায় ছিল অর্থাৎ যেখানে সকল মানুষ সুখী ও স্বাধীন আনন্দময় জীবন কাটাত । 

সাধারণের ইচ্ছা : রুশোর মতে , সামাজিক চুক্তির মধ্য দিয়ে যে মিলিত শক্তি গড়ে ওঠে তা ছিল সাধারণের ইচ্ছা । তার ধারণা ছিল ব্যক্তির মনের ইচ্ছা পাঁচ ধরনের । এর একটি হলো প্রকৃত ইচ্ছা ও অপরটি হলো বাস্তব ইচ্ছা । তাঁর মতে , সাধারণের ইচ্ছা হলে প্রকৃত ইচ্ছাগুলির সুফল । 

সামাজিক চুক্তি মতবাদ : এই মতবাদ অনুসারে রাষ্ট্রের জনগণ পারস্পরিক বোঝাপাড়ার ভিত্তিতে এক চুক্তি সম্পাদন করে যার মাধ্যমে গড়ে ওঠে এক পৌরসমাজ । রুশোর এই ধারণাই সামাজিক চুক্তি মতবাদ নামে পরিচিত । 

মস্তেস্কর রাষ্ট্রদর্শন : ফরাসি বিপ্লবকালীন একজন মানবতাবাদী রাষ্ট্রচিন্তাবিদ ছিলেন মস্তেস্কু যিনি বিখ্যাত সমাজবিজ্ঞানী হিসেবে খ্যাতিলাভ করেন । 

রাষ্ট্রদর্শনের বিষয় : ক্ষমতার স্বতন্ত্রীকরণ নীতি , আইনের ধারণা , রাষ্ট্রের তত্ত্ব , স্বাধীনতার তত্ত্ব প্রভৃতি ছিল মস্তেস্কর রাষ্ট্রদর্শনের আদর্শের বিষয় । 

গ্রন্থাবলি : মস্তেস্কু রচিত বিখ্যাত গ্রন্থগুলির মধ্যে ‘ দ্য পারসিয়ান লেটার্স ‘ , ‘ স্পিরিট অব দ্য’লজ ’ প্রভৃতি ছিল অন্যতম । 

রাষ্ট্র সম্পর্কিত ধারণা : মস্তেস্কর রাষ্ট্রতত্ত্বে প্রজাতন্ত্র , রাজতন্ত্র ও স্বৈরতন্ত্রের কথা উল্লেখ রয়েছে । প্রজাতন্ত্র — বলতে যেখানে সমস্ত ক্ষমতা থাকে প্রজাসাধারণের হাতে । রাজতন্ত্র — বলতে যেখানে নির্দিষ্ট আইন অনুযায়ী কিছু কর্মচারীর দ্বারা শাসন পরিচালিত হয় । এছাড়া স্বৈরতন্ত্র — বলতে কোনো আইন না মেনে খেয়ালখুশি মতো যে শাসন ব্যবস্থা কায়েম করা হতো তাকেই স্বৈরতন্ত্র বলে বোঝানো হয়েছে ।

মস্তেস্কুর রাষ্ট্রন্ত্র : 

ক্ষমতাস্বতন্ত্রীকরণ নীতি : মস্তেস্থ মনে করতেন , রাষ্ট্রের ক্ষমতা একজন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের হাতে রাখলে রাষ্ট্রীয় স্বাধীনতা বিঘ্ন হবে । তাই তাঁর মতে — আইন বিভাগ , শাসন বিভাগ ও বিচার বিভাগকে আলাদা করে দেওয়া উচিত । 

আইনের ধারণা : মস্তেস্কুর মতে , যেখানে সম্পর্ক আছে সেখানে আইনও আছে । এই সম্পর্ক নিয়ন্ত্রণ করার জন্য আইনের প্রয়োজন । তাঁর মতে , আইন হলো বস্তুর প্রকৃত অবস্থা থেকে সৃষ্ট প্রয়োজনীয় সম্পর্ক। 

স্বাধীনতার তত্ত্ব : ‘ দ্য স্পিরিট অব ‘ লজ ‘ গ্রন্থে তাঁর স্বাধীনতা সম্পর্কিত ধারণা ব্যক্ত হয়েছে । তাঁর মতে , চরম ও অনিয়ন্ত্রিত ক্ষমতা স্বাধীনতার পরিপন্থী । তিনি বলেছেন — স্বাধীনতা হলো আইন অনুমোদিত অধিকারসমূহ । স্বাধীনতা বলতে তিনি মূলত রাজনৈতিক স্বাধীনতাকে বোঝাতে চেয়েছেন । 

  1. এথেন্সে গণতন্ত্রের ভিত্তি কীভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় ?

Ans: সূচনা : প্রাচীন বিশ্বের ইতিহাসে ইউরোপ মহাদেশে একাধিক উপরাষ্ট্র গড়ে উঠেছিল । এগুলির মধ্যে গ্রিসে গড়ে ওঠা উপরাষ্ট্রের কোনোটি গণতান্ত্রিক বা অভিজ্ঞতাতান্ত্রিক । গণতান্ত্রিক ভিত্তিতে গড়ে ওঠা নগররাষ্ট্রগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য এথেন্স । যে নির্দিষ্ট রীতি মেনে প্রাচীন এথেন্সে নগররাষ্ট্র গড়ে উঠেছিল তার পরিকাঠামো ছিল মজবুত , যার প্রমাণ মেলে এথেন্স নগররাষ্ট্রের স্থায়িত্বকাল দেখে । 

এথেন্সে গণতন্ত্রের ভিত্তি : 

সোলনের সংস্কার : সংস্কারপন্থী এথেন্সের রাষ্ট্রনায়ক সোলন বংশ কৌলীন্যের পরিবর্তে আর্থিক মানদণ্ডের ভিত্তিতে এথেন্সের নাগরিকদের চারটি ভাগে ভাগ করেন । রাষ্ট্রের সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তিনি যেকোনো অন্যায় প্রতিবাদের বিরুদ্ধে আপিল চালু করেন । 

সর্বসাধারণের শাসন : এখানে দেশের সকল শ্রেণির নাগরিকের কাছ থেকে সুপরামর্শ নিয়ে শাসন পরিচালনা ও নগররাষ্ট্রের সকল শ্রেণির মানুষের যোগদানের পথ খুলে দেওয়া হয়েছিল । গণতন্ত্রের প্রত্যক্ষ শাসন কেবলমাত্র আক্ষরিক অর্থে নয় প্রকৃত অর্থেই এথেন্সের শাসন । 

বিতর্কসভার আয়োজন : গ্রিসের এথেন্সে রাষ্ট্রনীতি নির্ধারণের জন্য সকল শ্রেণির মানুষকে নিয়ে একটি বিতর্কসভার আয়োজন হয় । এর মূল লক্ষ্য ছিল রাষ্ট্রনীতি নির্ধারণে জনগণের সুপরামর্শ গ্রহণ করা । 

পলিসের স্বাতন্ত্র্য : গ্রিক পলিসের প্রত্যেকটির ক্ষেত্রে পৃথক সরকার , সেনাবাহিনী ও ক্যালেন্ডার থাকত । প্রতিটি পলিস স্বাধীন ও স্বশাসিত , পলিসগুলির পৃথক মানচিত্র ও মুদ্রাব্যবস্থা ছিল যা পলিসগুলি স্বাতন্ত্র্য নির্ণয় করে । 

পলিসের শাসনকাঠামো : প্রথম অবস্থায় পলিসগুলিতে রাজতন্ত্রের অস্তিত্ব থাকলেও পরবর্তীতে বেশিরভাগ পলিসে রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে । শেষপর্বে পলিসগুলিতে রাজতান্ত্রিক , স্বৈরতান্ত্রিক শাসন চালু হয় । এছাড়া পলিসে সমিতি ও ম্যাজিস্ট্রেট এর প্রাধান্য। 

মন্তব্য : গ্রিক পলিসগুলির ক্ষেত্রে নাগরিকরা প্রত্যক্ষভাবে শাসনকার্যে অংশগ্রহণ করতে পারত । অধিকাংশ পলিশের কেন্দ্রস্থলের উঁচু স্থানে পলিসের শাসনকেন্দ্র থাকত । পলিস বলতে নগররাষ্ট্র বোঝালেও প্রকৃত অর্থে পলিস নগরকেন্দ্রিক রাষ্ট্র ছিল না । 

  1. গ্রিক পলিসের বৈশিষ্ট্য কী ? 

Ans: সূচনা : প্রাচীন গ্রিসে যে নগররাষ্ট্রগুলি ছিল সেখানে নির্দিষ্ট ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ভূখণ্ডে জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে বসবাস করত যা প্রাচীন গ্রিক পলিস নামে পরিচিত । এই পলিসগুলির বৈশিষ্ট্য ছিল ক্ষুদ্র আয়তন ও স্বল্প জনসংখ্যা । গ্রিক পলিসের বৈশিষ্ট্য— 

নাগরিক ও অনাগরিক শ্রেণি : প্রাচীন গ্রিক পলিসগুলির অন্যতম বৈশিষ্ট্য এখানে বসবাসকারী জনগণ প্রধানত দু’টি ভাগে বিভক্ত ছিল । যথা — নাগরিক এবং অনাগরিক । নাগরিকরা দেশের সকল প্রকার নাগরিক অধিকার ও প্রত্যক্ষ সুযোগ ভোগ করত । অনাগরিকরা তিন ভাগে বিভক্ত । যথা – বিদেশি , ক্রীতদাস ও মহিলা । 

পলিসের ক্ষুদ্র আয়তন : গ্রিক পলিসের অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল ক্ষুদ্রায়তন । এর মূল কারণ যাতে পলিসের প্রতিটি নাগরিক রাষ্ট্রের কাজকর্মে প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণ করে । 

পলিসের স্বল্প জনসংখ্যা : পলিসগুলির আয়তন ক্ষুদ্র হওয়ায় জনসংখ্যা ছিল কম । দার্শনিক অ্যারিস্টটল কখনোই অধিক জনসংখ্যা নিয়ে পলিস গঠনে সমর্থন করেননি । দার্শনিক প্লেটো বলেন , একটি আদর্শ পলিসের জনসংখ্যা হওয়া উচিত 5000 .

আর্থিক বৈষম্য : পলিসে বসবাসকারী বিভিন্ন পেশার সাথে যুক্ত মানুষের আয় সমান ছিল না । এই কারণে পলিসগুলির মধ্যে যথেষ্ট আর্থিক বৈষম্য দেখা যায় ৷

ধর্মীয় বিশেষত্ব : গ্রিক পলিসের বিভিন্ন ক্ষেত্রকে নিয়ন্ত্রণ করত দেবতা । যেমন — আকাশের দেবতা জিওস , সাগর ও ভূমিকম্পের দেবতা পসিওন , পরলোকের দেবতা হেডেস । 

নির্বাচনের ব্যবস্থা : এথেন্সে গণতন্ত্রের ভিত্তি প্রতিষ্ঠায় অন্যতম নীতি ছিল নির্বাচনের ব্যবস্থা করা । দেশের জনগণ যাতে রাষ্ট্র পরিচালনায় অংশগ্রহণ করতে পারে তার জন্য লটারির মাধ্যমে শাসকদের নির্বাচনের ব্যবস্থা হয় । 

আরকনের উপস্থিতি : গ্রিসের নগররাষ্ট্রের ভিত্তিস্থাপনে আরকন নামক ম্যাজিস্ট্রেটের ভূমিকা কোনো অংশে কম নয় । কারণ আরকন নামক কর্মচারীরা সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ভাবমূর্তি নিয়ে দেশের শাসনকার্য পরিচালনা করতেন । 

হেলাধুয়া নামক আদালতের উপস্থিতি : এথেন্সের গণতন্ত্রে বিচার ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিয়ে আসার ক্ষেত্রে হেলাধুয়া নামক আদালতের উপস্থিতি লক্ষ করা যায় । 

একলেজিয়ার অস্তিত্ব : এথেন্সে একলেজিয়া নামক সমিতির অস্তিত্ব লক্ষ করা যায় । 

মূল্যায়ন : উপরিউক্ত আলোচনায় স্পষ্ট , এথেন্সের গণতান্ত্রিক ভিত্তি প্রতিষ্ঠায় ধারাবাহিক রীতি অবলম্বন করা হয় । গণতন্ত্রের ভিত্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে বিভিন্ন রকম সমস্যা দেখা গেলেও আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের পূর্বসুরি এথেন্সের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ছিল প্রশংসনীয় । 

  1. পশ্চিম ইউরোপে সামন্ততান্ত্রিক ব্যবস্থার উদ্ভবের কারণ কী ছিল ? 

Ans: সূচনা : ইংরেজি ফিউডালিজম কথাটির বাংলা প্রতিশব্দ হলো সামস্ততন্ত্র । ইউরোপে বিভিন্ন বর্বর জাতির আক্রমণে যে অশান্তি ও নৈরাজ্যের পরিবেশ দেখা দিয়েছিল তার ফলে খ্রিস্টীয় নবম শতক থেকে ইউরোপে সামস্ততন্ত্রের বিকাশ ও উদ্ভব ঘটতে থাকে । 

অনুগত পৃষ্ঠপোষক সম্পর্ক : 476 খ্রিস্টাব্দে রোমান সাম্রাজ্যের অবলুপ্তির পর অনুগত পৃষ্ঠপোষক সম্পর্ক নামে এক ধরনের সম্পর্ক গড়ে ওঠে । এই সম্পর্ক অনুসারে ধনী অভিজাতরা তাদের অনুগত সাধারণ মানুষের রক্ষার দায়িত্ব নিতেন , বিনিময়ে অনুগতরা ধনী অভিজাত ব্যক্তিদের সেবা ও সীমাহীন আনুগত্য প্রদান করত যা সামন্ততন্ত্রের ভিতটি প্রস্তুত হতে সহায়ক ছিল । 

কমিটেটাস প্রথা : প্রাচীন জার্মানিতে কমিটেটাস প্রথা অনুসারে স্বাধীন যোদ্ধারা আনুগত্যের বিনিময়ে তাদের স্বার্থপুরণ করতেন । এইভাবে এখানে সামন্ততান্ত্রিক পরিকাঠামো গড়ে উঠেছিল । 

বর্বর আক্রমণ : ক্যারোলেঞ্জিও সাম্রাজ্যের অন্তর্বিরোধের দ্বারা ফ্রান্স , জার্মানি ইংল্যান্ড , ইতালি প্রভৃতি রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয় । এভাবে কেন্দ্রীয় শক্তি দুর্বল হয়ে পড়ে । এইসময় সাধারণ মানুষ নিজেদের বিষয়সম্পত্তি রক্ষার ক্ষেত্রে শক্তিশালী মানুষের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে যা সামস্ততন্ত্রের উত্থানের কারণ । 

আর্থ – সামাজিক ভূমিকা : রোমান সাম্রাজ্যের পতনের পর ইউরোপের ব্যাবসাবাণিজ্য শুরু হয় । এইসময় রোমান ও জার্মান অভিজাতরা নিজেদের ব্যক্তিগত ভোগ – সম্পত্তি বাড়ানোর দিকে নজর দিলে সামন্ততন্ত্রের উদ্ভব ঘটে । 

মুসলিম আক্রমণ : 1814 খ্রিস্টাব্দে সার্লামেনের মৃত্যুর পর রোমান সাম্রাজ্যের দুর্বলতায় সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়ে । ফলে সাধারণ মানুষ নিজেদের নিরাপত্তার জন্য স্থানীয় ব্যক্তির উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে যা সামস্ততন্ত্রের উদ্ভব ঘটাতে সাহায্য করে । 

স্থানীয় শক্তিশালী প্রভুর ভূমিকা : ইউরোপের রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা ও সামাজিক অস্থিরতার জন্য সাধারণ মানুষ স্থানীয় শক্তিশালী প্রভুদের উপর নির্ভরশীল হতে শুরু করে যা সামস্ততন্ত্র উদ্ভবে ব্যাপকভাবে সহায়ক হয়েছিল । 

উচ্চবিত্ত ক্ষমতাশীল প্রভুর ভূমিকা : স্থানীয় শক্তিশালী প্রভুগণ আবার সমাজে সর্বোচ্চস্থানে অবস্থিত শক্তিশালী প্রভুর উপর নিজেদের আশ্রয়ের জন্য নির্ভর করতেন যা সামন্ততন্ত্রের প্রসারের পথ প্রশস্ত করে । 

মন্তব্য : উপরিউক্ত বিভিন্ন কারণের সমন্বয়ে ইউরোপের রাষ্ট্রীয় কাঠামোয় প্রভু ও আনুগত্যের সম্পর্ক গড়ে ওঠে যা রাষ্ট্রের সম্রাট থেকে শুরু করে কৃষক পর্যন্ত মেলবন্ধন স্থাপন করে আর তা ইউরোপে সামন্ততন্ত্রের জন্ম দেয় ।

 একাদশ শ্রেণী ইতিহাস প্রশ্ন ও উত্তর – West Bengal Class 11 Class 11th History Question and Answer / Suggestion / Notes Book

আরোও কিছু প্রশ্ন ও উত্তর দেখুন :-

একাদশ শ্রেণী ইতিহাস সমস্ত অধ্যায়ের প্রশ্নউত্তর Click Here

Class 11 Suggestion 2022 | একাদশ শ্রেণীর সাজেশন ২০২২

আরোও দেখুন:-

Class 11 Bengali Suggestion 2022 Click here

আরোও দেখুন:-

Class 11 English Suggestion 2022 Click here

আরোও দেখুন:-

Class 11 Geography Suggestion 2022 Click here

আরোও দেখুন:-

Class 11 History Suggestion 2022 Click here

আরোও দেখুন:-

Class 11 Political Science Suggestion 2022 Click Here

আরোও দেখুন:-

Class 11 Education Suggestion 2022 Click here

Info : West Bengal Class 11 History Qustion and Answer | WBCHSE Higher Secondary Eleven XI (Class 11th) History Suggestion 

একাদশ শ্রেণী ইতিহাস সাজেশন – রাষ্ট্রের প্রকৃতি এবং এর উপাদান (চতুর্থ অধ্যায়) প্রশ্ন ও উত্তর   

” একাদশ শ্রেণী ইতিহাস –  রাষ্ট্রের প্রকৃতি এবং এর উপাদান (চতুর্থ অধ্যায়) – প্রশ্ন উত্তর  “ একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ টপিক একাদশ শ্রেণী পরীক্ষা (West Bengal Class Eleven XI  / WB Class 11  / WBCHSE / Class 11  Exam / West Bengal Board of Secondary Education – WB Class 11 Exam / Class 11 Class 11th / WB Class 11 / Class 11 Pariksha  ) এখান থেকে প্রশ্ন অবশ্যম্ভাবী । সে কথা মাথায় রেখে Bhugol Shiksha .com এর পক্ষ থেকে একাদশ শ্রেণী ইতিহাস পরীক্ষা প্রস্তুতিমূলক সাজেশন এবং প্রশ্ন ও উত্তর ( একাদশ শ্রেণী ইতিহাস সাজেশন / একাদশ শ্রেণী ইতিহাস প্রশ্ও উত্তর । Class 11 History Suggestion / Class 11 History Question and Answer / Class 11 History Suggestion / Class 11 Pariksha History Suggestion  / History Class 11 Exam Guide  / MCQ , Short , Descriptive  Type Question and Answer  / Class 11 History Suggestion  FREE PDF Download) উপস্থাপনের প্রচেষ্টা করা হলাে। ছাত্রছাত্রী, পরীক্ষার্থীদের উপকারেলাগলে, আমাদের প্রয়াস একাদশ শ্রেণী ইতিহাস পরীক্ষা প্রস্তুতিমূলক সাজেশন এবং প্রশ্ন ও উত্তর (Class 11 History Suggestion / West Bengal Eleven XI Question and Answer, Suggestion / WBCHSE Class 11th History Suggestion  / Class 11 History Question and Answer  / Class 11 History Suggestion  / Class 11 Pariksha Suggestion  / Class 11 History Exam Guide  / Class 11 History Suggestion 2022, 2023, 2024, 2025, 2026, 2027, 2028, 2029, 2030, 2021, 2020, 2019, 2017, 2016, 2015 / Class 11 History Suggestion  MCQ , Short , Descriptive  Type Question and Answer. / Class 11 History Suggestion  FREE PDF Download) সফল হবে।

রাষ্ট্রের প্রকৃতি এবং এর উপাদান (চতুর্থ অধ্যায়) প্রশ্ন ও উত্তর  

রাষ্ট্রের প্রকৃতি এবং এর উপাদান (চতুর্থ অধ্যায়) – প্রশ্ন ও উত্তর | রাষ্ট্রের প্রকৃতি এবং এর উপাদান (চতুর্থ অধ্যায়) Class 11 History Question and Answer Suggestion  একাদশ শ্রেণী ইতিহাস প্রশ্ন ও উত্তর  – রাষ্ট্রের প্রকৃতি এবং এর উপাদান (চতুর্থ অধ্যায়) প্রশ্ন ও উত্তর।

রাষ্ট্রের প্রকৃতি এবং এর উপাদান (চতুর্থ অধ্যায়) MCQ প্রশ্ন ও উত্তর | একাদশ শ্রেণী ইতিহাস 

রাষ্ট্রের প্রকৃতি এবং এর উপাদান (চতুর্থ অধ্যায়) MCQ প্রশ্ন ও উত্তর | রাষ্ট্রের প্রকৃতি এবং এর উপাদান (চতুর্থ অধ্যায়) Class 11 History Question and Answer Suggestion  একাদশ শ্রেণী ইতিহাস প্রশ্ন ও উত্তর  – রাষ্ট্রের প্রকৃতি এবং এর উপাদান (চতুর্থ অধ্যায়) MCQ প্রশ্ন উত্তর।

রাষ্ট্রের প্রকৃতি এবং এর উপাদান (চতুর্থ অধ্যায়) SAQ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর | একাদশ শ্রেণির ইতিহাস 

রাষ্ট্রের প্রকৃতি এবং এর উপাদান (চতুর্থ অধ্যায়) SAQ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর | রাষ্ট্রের প্রকৃতি এবং এর উপাদান (চতুর্থ অধ্যায়) Class 11 History Question and Answer Suggestion  একাদশ শ্রেণী ইতিহাস প্রশ্ন ও উত্তর  – রাষ্ট্রের প্রকৃতি এবং এর উপাদান (চতুর্থ অধ্যায়) SAQ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর।

একাদশ শ্রেণি ইতিহাস  – রাষ্ট্রের প্রকৃতি এবং এর উপাদান (চতুর্থ অধ্যায়) MCQ প্রশ্ন উত্তর | Higher Secondary History  

একাদশ শ্রেণী ইতিহাস (Higher Secondary History) – রাষ্ট্রের প্রকৃতি এবং এর উপাদান (চতুর্থ অধ্যায়) – প্রশ্ন ও উত্তর | রাষ্ট্রের প্রকৃতি এবং এর উপাদান (চতুর্থ অধ্যায়) | Higher Secondary History Suggestion  একাদশ শ্রেণী ইতিহাস প্রশ্ন ও উত্তর  – রাষ্ট্রের প্রকৃতি এবং এর উপাদান (চতুর্থ অধ্যায়) প্রশ্ন উত্তর।

একাদশ শ্রেণী ইতিহাস প্রশ্ন ও উত্তর  | একাদশ শ্রেণির ইতিহাস প্রশ্ন ও উত্তর  – রাষ্ট্রের প্রকৃতি এবং এর উপাদান (চতুর্থ অধ্যায়) প্রশ্ন উত্তর | Class 11 History Question and Answer Question and Answer, Suggestion 

একাদশ শ্রেণী ইতিহাস প্রশ্ন ও উত্তর – রাষ্ট্রের প্রকৃতি এবং এর উপাদান (চতুর্থ অধ্যায়) | একাদশ শ্রেণী ইতিহাস প্রশ্ন ও উত্তর – রাষ্ট্রের প্রকৃতি এবং এর উপাদান (চতুর্থ অধ্যায়) | পশ্চিমবঙ্গ একাদশ শ্রেণী ইতিহাস প্রশ্ন ও উত্তর – রাষ্ট্রের প্রকৃতি এবং এর উপাদান (চতুর্থ অধ্যায়) | একাদশ শ্রেণী ইতিহাস সহায়ক – রাষ্ট্রের প্রকৃতি এবং এর উপাদান (চতুর্থ অধ্যায়) – প্রশ্ন ও উত্তর । Class 11 History Question and Answer, Suggestion | Class 11 History Question and Answer Suggestion  | Class 11 History Question and Answer Notes  | West Bengal Class 11 Class 11th History Question and Answer Suggestion. 

একাদশ শ্রেণী ইতিহাস প্রশ্ন ও উত্তর   – রাষ্ট্রের প্রকৃতি এবং এর উপাদান (চতুর্থ অধ্যায়) MCQ প্রশ্ন উত্তর | WBCHSE Class 11 History Question and Answer, Suggestion 

একাদশ শ্রেণী ইতিহাস প্রশ্ন ও উত্তর  – রাষ্ট্রের প্রকৃতি এবং এর উপাদান (চতুর্থ অধ্যায়) প্রশ্ন উত্তর প্রশ্ন ও উত্তর  | রাষ্ট্রের প্রকৃতি এবং এর উপাদান (চতুর্থ অধ্যায়) । Class 11 History Suggestion.

WBCHSE Class 11th History Suggestion  | একাদশ শ্রেণী ইতিহাস প্রশ্ন ও উত্তর   – রাষ্ট্রের প্রকৃতি এবং এর উপাদান (চতুর্থ অধ্যায়)

WBCHSE Class 11 History Suggestion একাদশ শ্রেণী ইতিহাস প্রশ্ন ও উত্তর  – রাষ্ট্রের প্রকৃতি এবং এর উপাদান (চতুর্থ অধ্যায়) প্রশ্ন উত্তর প্রশ্ন ও উত্তর  । রাষ্ট্রের প্রকৃতি এবং এর উপাদান (চতুর্থ অধ্যায়) | Class 11 History Suggestion  একাদশ শ্রেণী ইতিহাস প্রশ্ন ও উত্তর – রাষ্ট্রের প্রকৃতি এবং এর উপাদান (চতুর্থ অধ্যায়) – প্রশ্ন উত্তর প্রশ্ন ও উত্তর ।

Class 11 History Question and Answer Suggestions  | একাদশ শ্রেণী ইতিহাস প্রশ্ন ও উত্তর – রাষ্ট্রের প্রকৃতি এবং এর উপাদান (চতুর্থ অধ্যায়) | একাদশ শ্রেণী ইতিহাস প্রশ্ন ও উত্তর 

Class 11 History Question and Answer  একাদশ শ্রেণী ইতিহাস প্রশ্ন ও উত্তর – রাষ্ট্রের প্রকৃতি এবং এর উপাদান (চতুর্থ অধ্যায়) একাদশ শ্রেণী ইতিহাস প্রশ্ন ও উত্তর  Class 11 History Question and Answer একাদশ শ্রেণী ইতিহাস প্রশ্ন ও উত্তর  প্রশ্ন ও উত্তর – রাষ্ট্রের প্রকৃতি এবং এর উপাদান (চতুর্থ অধ্যায়) MCQ, সংক্ষিপ্ত, রোচনাধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর  । 

WB Class 11 History Suggestion  | একাদশ শ্রেণী ইতিহাস প্রশ্ন ও উত্তর   – রাষ্ট্রের প্রকৃতি এবং এর উপাদান (চতুর্থ অধ্যায়) MCQ প্রশ্ন উত্তর প্রশ্ন ও উত্তর 

Class 11 History Question and Answer Suggestion একাদশ শ্রেণী ইতিহাস প্রশ্ন ও উত্তর – রাষ্ট্রের প্রকৃতি এবং এর উপাদান (চতুর্থ অধ্যায়) MCQ প্রশ্ন ও উত্তর । Class 11 History Question and Answer Suggestion  একাদশ শ্রেণী ইতিহাস প্রশ্ন ও উত্তর।

West Bengal Class 11  History Suggestion  Download WBCHSE Class 11th History short question suggestion  . Class 11 History Suggestion   download Class 11th Question Paper  History. WB Class 11  History suggestion and important question and answer. Class 11 Suggestion pdf.পশ্চিমবঙ্গ একাদশ শ্রেণির ইতিহাস পরীক্ষার সম্ভাব্য সাজেশন ও শেষ মুহূর্তের প্রশ্ন ও উত্তর ডাউনলোড। একাদশ শ্রেণী ইতিহাস পরীক্ষার জন্য সমস্ত রকম গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর।

Get the Class 11 History Question and Answer Question and Answer by Bhugol Shiksha .com

Class 11 History Question and Answer Question and Answer prepared by expert subject teachers. WB Class 11  History Suggestion with 100% Common in the Examination .

Class Eleven XI History Suggestion | West Bengal Board WBCHSE Class 11 Exam 

Class 11 History Question and Answer, Suggestion Download PDF: WBCHSE Class 11 Eleven XI History Suggestion  is provided here. Class 11 History Question and Answer Suggestion Questions Answers PDF Download Link in Free has been given below. 

একাদশ শ্রেণী ইতিহাস – রাষ্ট্রের প্রকৃতি এবং এর উপাদান (চতুর্থ অধ্যায়) প্রশ্ন ও উত্তর | Class 11 History Question and Answer 

        অসংখ্য ধন্যবাদ সময় করে আমাদের এই ” একাদশ শ্রেণী ইতিহাস – রাষ্ট্রের প্রকৃতি এবং এর উপাদান (চতুর্থ অধ্যায়) প্রশ্ন ও উত্তর | Class 11 History Question and Answer  ” পােস্টটি পড়ার জন্য। এই ভাবেই Bhugol Shiksha ওয়েবসাইটের পাশে থাকো যেকোনো প্ৰশ্ন উত্তর জানতে এই ওয়েবসাইট টি ফলাে করো এবং নিজেকে  তথ্য সমৃদ্ধ করে তোলো , ধন্যবাদ।

Subscribe Our YouTube Channel

Join Our Telegram Channel

E-mail Subscription