Madhyamik Geography Suggestion | মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন | হিমবাহ – রোচনাধর্মী প্রশ্নউত্তর

3025

Madhyamik Geography Suggestion

মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন

Madhyamik Geography Suggestion | মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন | হিমবাহ - রোচনাধর্মী প্রশ্নউত্তর

Madhyamik Geography Suggestion (মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন) – হিমবাহ – রোচনাধর্মী প্রশ্নউত্তর  দেওয়া হল নিচে। এই Madhyamik Geography Suggestion (মাধ্যমিক  ভূগোল সাজেশন) – হিমবাহ – রোচনাধর্মী প্রশ্নউত্তর গুলি আগামী সালের পশ্চিমবঙ্গ মাধ্যমিক ভূগোল পরীক্ষার জন্য খুব ইম্পর্টেন্ট। আপনারা যারা মাধ্যমিক দশম শ্রেণীর  ভূগোল পরীক্ষার সাজেশন খুঁজে চলেছেন, তারা নিচে দেওয়া প্রশ্নপত্র ভালো করে পড়তে পারেন। এই পরীক্ষা তে কোশ্চেন গুলো আসার সম্ভাবনা খুব বেশি।

প্রথম অধ্যায়ঃ বহির্জাত প্রক্রিয়া তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ | উপঅধ্যায়-৩ হিমবাহ – রোচনাধর্মী প্রশ্নউত্তর

 1. হিমবাহের উৎপত্তি কীভাবে ঘটে ? 

উত্তর : হিমরেখার উর্ধ্বে প্রচণ্ড শৈত্যের কারণে তুষারপাত ঘটে । সদ্য পতিত তুষার হালকা পেঁজা তুলাের মতাে হয় । একে নেভে বলে । নেভের ওপর পুনরায় তুষারপাত হলে নীচের তুষারের দৃঢ়তা ও ঘনত্ব বাড়ে । একে বলে ফার্ন । ফার্ন পরে আরও জমাটবদ্ধ হয়ে দৃঢ় বরফের স্তুপে পরিণত হয় এবং অভিকর্ষের টানে নেমে আসে । এইভাবেই হিমবাহের উৎপত্তি ঘটে ।

2. হিমবাহ গতিপ্রাপ্ত হয় কীভাবে ?

 উত্তর : প্রবল চাপের ফলে হিমবাহ ও ভূমির মাঝের সীমানা বরাবর অংশে গলনাঙ্ক নেমে যায় ফলে ওই স্থানে বরফ জলে পরিণত হয় । পরে চাপ হ্রাস পেলে ওই জল পুনরায় বরফে পরিণত হয় । এই পদ্ধতিকে বলা হয় পুনর্জমাটন বা রেগেলেশন । এই প্রক্রিয়ার ফলে নীচের সীমানা বরাবর বরফ থকথকে পিচ্ছিলকারক  পদার্থে পরিণত হয় বলে ঢাল বরাবর হিমবাহ নীচের দিকে নেমে আসতে থাকে । এইভাবেই হিমবাহ গতিপ্রাপ্ত হয় । হিমবাহের গতি অত্যন্ত ধীর , প্রতিদিন কয়েক সেমি থেকে কয়েক মিটার । সব হিমবাহের গড় গতি সমান নয় । 

3. মিষ্টি জল বা সুপেয় জলের সঞ্চয় হিসেবে হিমবাহের গুরুত্ব কী ? 

উত্তর : পৃথিবীর মােট জলের মাত্র ২ . ৫ % হল মিষ্টি জল আর এই জলের ১ . ৭ % অর্থাৎ মােট মিষ্টি জলের ৬৮ . ৭ % রয়েছে ( মােট মিষ্টি জল ২ . ৫ % কে ১০০ % ধরে ) হিমবাহ ও বরফরূপে । বিশেষজ্ঞদের ধারণা জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে আগামী দিনে পৃথিবীর যে সমস্যাটি সবথেকে ভয়াবহ আকার নেবে তা হল পানীয় জলের সমস্যা । ভবিষ্যতে এই সমস্যা হয়তাে অনেকটাই মেটাতে পারে হিমবাহ ।

4. উদাহরণসহ হিমবাহের শ্রেণিবিভাগ করাে । * * 

উত্তর: অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে হিমবাহ বিশারদ অ্যালম্যান ( AIhmann ) হিমবাহকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করেন । যথা
 ( i ) মহাদেশীয় হিমবাহ ( Continental . Glacier ) : উচ্চ অক্ষাংশে বিশালাকার ও গভীর বরফের সুপকে ( Ice sheet)  মহাদেশীয় হিমবাহ বলে । 
  উদাহরণ : অ্যান্টার্কটিকা , গ্রিনল্যান্ডের বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে এই হিমবাহ দেখা যায় । অ্যান্টার্কটিকার ল্যাম্বার্ট পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশীয় হিমবাহ ।
 ( ii ) পার্বত্য বা উপত্যকা হিমবাহ ( Mountain or Vally Glacier ) : উচ্চ পার্বত্য বা পর্বতের উপত্যকায় দীর্ঘকাল ধরে  স্তুপাকারে তুষার জমে বরফে পরিণত হলে এবং তা অভিকর্ষের টানে নেমে এলে তাকে পার্বত্য বা উপত্যকা হিমবাহ বলে । 
  উদাহরণ : আলাস্কার হুবার্ড পৃথিবীর দীর্ঘতম উপত্যকা হিমবাহ । ভারতের সিয়াচেন ( ভারতের বৃহত্তম ) , বল্টারো, জেমু , গঙ্গোত্রী ইত্যাদি হল বিখ্যাত হিমবাহ উপত্যকা । 
( iii ) পাদদেশীয় হিমবাহ ( Pediment Glacier ) : উচ্চ অক্ষ অংশে পর্বতের পাদদেশে উষ্ণতা হিমাঙ্কের নীচে থাকলে উপত্যকার  হিমবাহ নেমে এসে না – গলে অবস্থান করে । একেই পাদদেশীয় হিমবাহ বলে । 
   উদাহরণ : আলাস্কার মালাসপিনা পৃথিবীর বৃহত্তম পাদদেশীয় হিমবাহ ।

5. মহাদেশীয় হিমবাহের বৈশিষ্ট্য লেখাে । 

উত্তর : মহাদেশীয় হিমবাহের বৈশিষ্ট্যগুলি হল —
 ( i ) মহাদেশীয় হিমবাহের ব্যাপ্তি বিশাল । 
( ii ) এর গভীরতা খুব বেশি ।
( iii ) এই হিমবাহ দেখতে অনেকটা গম্বুজের মতাে ।
( iv ) এর গতি অত্যন্ত কম । 
( v ) তুষারের চাপে বিভিন্ন দিকে সম্প্রসারিত হয় ।
 ( vi ) নুনাটকস ( বরফমুক্ত পর্বতের শীর্ষদেশ ) দেখা যায় । ( vii ) এর থেকে হিমশৈলের সৃষ্টি হয় । 

6. পার্বত্য বা উপত্যকা হিমবাহের বৈশিষ্ট্য লেখাে । 

উত্তর : পার্বত্য বা উপত্যকা হিমবাহের বৈশিষ্ট্য হল —
 ( i ) এই উপত্যকার দৈর্ঘ্য কয়েক কিমি থেকে ২০০০ কিমি পর্যন্ত । 
( ii ) এর গভীরতা কম । 
( iii ) গতিবেগ মহাদেশীয় হিমবাহের তুলনায় বেশি । 
( iv ) এখানে বার্গশ্রুন্ড ও ক্রেভাস দেখা যায় ।
 ( v ) এই হিমবাহের শেষ প্রান্তে বরফ গলে নদীর উৎপত্তি ঘটে । 

7. পাদদেশীয় হিমবাহের বৈশিষ্ট্য লেখাে । 

উত্তর : পাদদেশীয় হিমবাহের বৈশিষ্ট্যগুলি হল – 
( i ) একাধিক পার্বত্য হিমবাহ পাদদেশে পরস্পর মিলিত হলে পাদদেশীয় হিমবাহ  গড়ে ওঠে । 
( ii ) বর্তমানে উষ্ণতার প্রভাবে পাদদেশীয় হিমবাহ আয়তনে কমে গেছে । 
( iii ) পাদদেশীয় হিমবাহ অনেকটা নদীর বদ্বীপের মতাে দেখতে হয় ।

8. হিমরেখার অবস্থান কোন কোন বিষয়ের ওপর নির্ভর করে ?

 উত্তর: হিমরেখার উচ্চতা বা অবস্থান যে বিষয়গুলির ওপর নির্ভর করে তা হল –
 ( i ) অক্ষাংশ , ( ii ) উষ্ণতা , ( iii ) ভূমির ঢাল , ( iv ) ঋতু পরিবর্তন , ( v ) বায়ুর বেগ প্রভৃতির ওপর । 
  অক্ষাংশের মান বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে উয়তাও কমতে থাকে । ফলে হিমরেখার উচ্চতাও কমে ।

9. পৃথিবীর সকল স্থানে হিমরেখা একই উচ্চতায় থাকে না কেন ?* *

উত্তর: কোনাে স্থানে হিমরেখার উচ্চতা নির্ভর করে অক্ষাংশের ভিত্তিতে অবস্থান , ভূমির উচ্চতা , ঋতুপরিবর্তন প্রভৃতির ওপর । নিরক্ষরেখা থেকে ক্রমশ উত্তরে ও দক্ষিণে যেহেতু উষ্ণতা কমতে থাকে তাই হিমরেখার অবস্থানের উচ্চতাও কমতে থাকে । শীতকালে   উষ্ণতা কমে যায় বলে হিমরেখা পর্বতের নিম্নাংশে এবং গ্রীষ্মকালে উষ্ণতা বেড়ে যায় বলে পর্বতের উর্ধ্বাংশে অবস্থান করে । তাই দেখা যায় হিমরেখা , নিরক্ষীয় অঞ্চলে গড়ে ৫৫০০ মি , হিমালয় পর্বতে ৪৫০০ মি , আল্পস পর্বতে ২৮০০ মি , উচ্চতায় অবস্থান করে । 

10. হিমশৈলের বৈশিষ্ট্য ও গুরুত্ব লেখাে ।

 উত্তর : হিমশৈলের বৈশিষ্ট্য ও গুরুত্বগুলি হল —
( i ) হিমশৈল হল মিষ্টি জল দিয়ে তৈরি বিশালাকার বরফস্তুপ । 
( ii ) হিমশৈলের মাত্র ১ / ৯ ভাগ জলের ওপরে থাকে ।
 ( iii ) উচ্চ অক্ষাংশের সমুদ্রে ( গ্রিনল্যান্ড , অ্যান্টার্কটিকা ) হিমশৈল দেখা যায় ।
( iv ) জাহাজ চলাচলে ভীষণ বিপদ ঘটায় ।

11. বার্গশ্রুন্ড ও ক্রেভাস পর্বতারােহীদের কী সমস্যা সৃষ্টি করে ? 

উত্তর : বার্গশ্রুন্ড ও ক্রেভাস পর্বতারােহীদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় । এই ফাক বা ফাটলগুলি গ্রীষ্মকালে গভীর পরিখা সৃষ্টি করে যা অতিক্রম করা বেশ দুরূহ । কখনও পাড় ভেঙে নীচে পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে । শীতকালে এই ফাটলগুলির ওপরে হালকা তুষার বা হিমানী সম্প্রপাতের বরফ জমে । ফলে বরফ সমেত হুড়মুড়িয়ে নীচে পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল এবং মৃত্যু প্রায় অবধারিত । তাই এই সকল অঞ্চলে অভিযানে গেলে পর্বতারােহীদের হিমবাহ  সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান থাকতে হয় ।

12. হিমবাহ কোন্ কোন্ পদ্ধতিতে ভূমিরূপকে ক্ষয় করে ?

 উত্তর : হিমবাহ দু – ভাবে ক্ষয় করে । যেমন – 
( ক ) উৎপাটন ( Plucking ) : পর্বতগাত্রে যে প্রস্তরখণ্ড থাকে তা গতিশীল হিমবাহের চাপে পর্বতগাত্র থেকে আলগা হয় । ওই প্রস্তরখণ্ড ও পর্বতগাত্রের মধ্যবর্তী  যদি কোনাে ফাকা স্থান থাকে তাতে জল প্রবেশ করে প্রচন্ড ঠান্ডায় বরফে পরিণত হয় । এভাবে তুষার কেলাসন জাতীয় যান্ত্রিক আবহবিকার কার্য চলে । চুর্ণবিচুর্ণ শিলাস্তর আলগা হলে হিমবাহের চাপে তা পর্বতগাত্র থেকে সহজেই বিচ্ছিন্ন হয়ে  পড়ে । 
( খ ) অবঘর্ষ ( Abrasion ) : প্রবহমান হিমবাহের তলদেশে থাকা  ভারী প্রস্তরখণ্ড যখন উপত্যকাকে ক্রমাগত আঘাত করে ক্ষয়প্রাপ্ত করে , তখন তাকে বলে অবঘর্ষ । 

13. করি হ্রদ কীভাবে গঠিত হয় ?*

 উত্তর : পার্বত্য অঞ্চলে হিমবাহ উৎপাটন ও অবঘর্ষ প্রক্রিয়ায় ক্ষয় করে হাতলযুক্ত চেয়ার বা অ্যাম্ফিথিয়েটারের মতাে ভুমিরুপ  সৃষ্টি করে । একেই করি বা সার্ক বলে । 
  করি ভূমিরূপটির পার্শ্বভাগ উঁচু ও মধ্যভাগ নীচু হয় । হিমবাহ  সৃষ্ট করির মধ্যবর্তী খাতটিতে অনেক সময় অবশিষ্ট অংশ হিসেবে হিমবাহ থেকে যায় । পরবর্তীকালে হিমবাহ গলে গিয়ে এখানে হ্রদের সৃষ্টি করে । একেই করি হ্রদ বলে । 

14. হিমবাহ উপত্যকার আকৃতি ‘ U ’ – এর মতাে হয় কেন ? *

উত্তরঃ উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলে উপত্যকা বরাবর অবস্থিত
 হিমবাহ সাধারণত উৎপাটন ( Plucking ) এবং অবঘর্ষ ( Abrasion )  প্রক্রিয়ায় ক্ষয়কাজ করে । উৎপাটন প্রক্রিয়ায় উপত্যকার গাত্রদেশের শিলাস্তর আলগা হয়ে অপসারিত হয় এবং অবঘর্ষ প্রক্রিয়ায় গাত্রদেশ ও নিম্নাংশ মসৃণ হয় । এই দুই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উপত্যকার পার্শ্বক্ষয়  ও নিম্নক্ষয় সমান হারে চলতে থাকে । তাই হিমবাহ উপত্যকা ‘ U ’ আকৃতিবিশিষ্ট হয় । 

15.  নদী উপত্যকা ও হিমবাহ উপত্যকার আকৃতির পার্থক্য কীরূপ হয় এবং কেন তা হয় ব্যাখ্যা করাে । * * 

উত্তর : নদী উপত্যকার আকৃতি হয় ‘ I ’ ও ‘ V ‘ আকৃতি বিশিষ্ট । উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলে নদীর ঢাল বেশি হয় বলে নদী অতি প্রবলবেগে প্রবাহিত হয় । এই অংশে নদীবাহিত পলি , বালি , নুড়ির পরিমাণ বেশি থাকায় নদী অতি দ্রুতহারে নিম্নক্ষয় করে । ফলে ‘I’ আকৃতির উপত্যকা সৃষ্টি হয় । পরবর্তীকালে আবহবিকার , জলপ্রবাহ , ধস প্রভৃতি কারণবশত পার্শ্বক্ষয় বেশি হল ‘ I ’ আকৃতির উপত্যকা ‘ V আকৃতিতে রুপান্তরিত হয় ।
      হিমবাহ উপত্যকা ‘ U আকৃতিবিশিষ্ট হয় । হিমবাহ যে উপত্যকার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হয় , সেখানে হিমবাহ অবঘর্ষ ও উৎপাটন প্রক্রিয়ায় পার্শ্বক্ষয় ও নিম্নক্ষয় সমানভাবে ঘটায় । তাই ‘ U ’ আকৃতিবিশিষ্ট এই হিমবাহ উপত্যকার সৃষ্টি হয় । 

16. ঝুলন্ত উপত্যকায় কীভাবে জলপ্রপাত গঠিত হয় ? 

উত্তর: পার্বত্য অঞ্চলে প্রধান হিমবাহের সাথে বহু ছােটো ছােটো উপহিমবাহ এসে প্রায় সমকোণে মিলিত হয় । প্রধান হিমবাহ উপত্যকা উপহিমবাহ উপত্যকা অপেক্ষা বিস্তৃত ও গভীর হওয়ায় উপহিমবাহগুলি হিমবাহ উপত্যকার থেকে উঁচুতে অবস্থান করে । এইরূপ অবস্থায় হিমবাহ গলে গেলে বা হিমযুগের অবসান ঘটলে উপহিমবাহ উপত্যকা দিয়ে প্রবাহিত জলধারা প্রবলবেলে  প্রধান হিমবাহ উপত্যকায় এসে পড়ে । এইভাবে ঝুলন্ত উপত্যকায় জলপ্রপাত সৃষ্টি হয় । 

17. বিভিন্ন ধরনের গ্রাবরেখার সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা দাও ।*

উত্তর : হিমবাহ ক্ষয়জাত পদার্থগুলিকে হিমবাহের সাথে বাহিত হয়ে উপত্যকার বিভিন্ন অংশে সঞ্চিত হয় । এরূপ সঞ্চয়কে গ্রাবরেখা বলে । অবস্থানের ভিত্তিতে গ্রাবরেখা বিভিন্ন ধরনের — ( i ) পার্শ্ব গ্রাবরেখা : হিমবাহ পদার্থকে ঠেলে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় দুই পাশে পদার্থ সঞ্চিত হয়ে সৃষ্ট গ্রাবরেখা হল পার্শ্ব গ্রাবরেখা । ( ii ) মধ্য গ্রাবরেখা : দুটি হিমবাহ পাশাপাশি প্রবাহিত হলে মিলন অঞ্চলে সঞ্চিত গ্রাবরেখা হল মধ্য গ্রাবরেখা , ( iii ) প্রান্ত  গ্রাবরেখা : হিমবাহ যেখানে এসে শেষ হয় অর্থাৎ গলে যায় সেখানে পদার্থ সঞ্চিত হয়ে সৃষ্ট গ্রাবরেখা হল প্রান্ত গ্রাবরেখা । এ ছাড়া ( iv ) হিমবাহের তলদেশে পদার্থ সঞ্চিত হয়ে সৃষ্ট গ্রাবরেখা হল ভূমি গ্রাবরেখা । ( v ) হিমবাহের অগ্রভাগে ইতস্তত বিক্ষিপ্ত গ্রাবরেখা হল অবিন্যস্ত গ্রাবরেখা , ( vi ) বলয়াকারে সঞ্চিত গ্রাবরেখা হল বলয়ধর্মী গ্রাবরেখা , ( vii ) সমুদ্রের তলদেশে সঞ্চিত গ্রাবরেখাকে স্তরায়িত গ্রাবরেখা বলে । 

18. ড্রামলিনের বৈশিষ্ট্যগুলি কী কী ? 

উত্তর : ড্রামলিনের বৈশিষ্ট্যগুলি হল –  ( i ) ড্রামলিনের আকৃতি কিছুটা লম্বাটে এবং অক্ষটি হিমবাহ প্রবাহে সমান্তরালে থাকে । ( ii ) দৈর্ঘ্য ১ – ৩ কিমি , প্রস্থ ৩০০ – ৬০০  মিটার এবং উচ্চতা ৬০ মিটার পর্যন্ত হয় । ( iii ) হিমবাহ প্রবাহের দিক অসমূণ এবং বিপরীত দিক মসৃণ হয় । ( iv ) একসঙ্গে অসংখ্য ড্রামলিন গড়ে উঠলে ডিম ভরতি ঝুড়ির মতাে দেখায় , যা — “ Basket of egg topography ‘ নামে পরিচিত । 

19. রসে মতানের প্রতিবাত অংশ মসৃণ এবং অনুবাত অংশ অমসৃণ ’ – কারণ ব্যাখ্যা করাে । 

উত্তর : পার্বত্য অঞ্চলে হিমবাহের গতিপথে উঁচু ও কঠিন শিলা ঢিবির প্রতিবাত অংশ অবঘর্ষ প্রক্রিয়ায় ক্ষয় হয় । হিমবাহের মধ্যে জমে থাকা প্রস্তরখণ্ড শিলাস্তরের প্রতিবাদ অংশকে অবঘর্ষ প্রক্রিয়ায় মসৃণ করে । কিন্তু শিলাস্তর বা ঢিবির অনুবাত অংশে  হিমবাহ উৎপাটন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শিলাখণ্ডকে তুলে অপসারণ করে । ফলে এই অংশে ভূমিভাগ এবড়ােখেবড়াে , অসমতল ও ফাটলযুক্ত হয় । তাই রসে মতানে ভূমিরূপের প্রতিবাত অংশ মসৃণ এবং অনুবাত অংশ অমসৃণ হয় । 

20. ‘ হিমবাহ অধ্যুষিত অঞ্চলে ভ্রমণ বিপজ্জনক ও বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়’ কারণ ব্যাখ্যা করাে ।

 উত্তর : ‘ হিমবাহ অধ্যুষিত অঞ্চলে ভ্রমণ বিপজ্জনক ও বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হয় কারণ — 
( i ) প্রতিকূল আবহাওয়া : সুউচ্চ পার্বত্য অঞ্চলের ঘন কুয়াশা , প্রবল তুষারপাত , তীব্র শৈত্যপ্রবাহ , বৃষ্টি ইত্যাদি প্রতিকূল আবহাওয়া  পর্বতারােহণে সমস্যা সৃষ্টি করে ।
 ( ii ) হিমানী সম্প্রপাত : পর্বতারােহণের সময় পার্বত্য অঞ্চলে হিমানীসম্প্রপাতের ফলে পর্বতারােহীদের বিপুল ক্ষতি হয় । 
( iii ) তুষার ঝড় : তুষার ঝড়ের কবলে পড়লেও পর্বতারােহীদের মৃত্যু ঘটতে পারে । 
( iv ) বার্গশ্রুন্ড ও ক্রেভাস – এর প্রভাব : ক্রেভাস ও বার্গশ্রুন্ড  থাকার জন্য পর্বতারােহণে সমস্যা দেখা দেয় । এ ছাড়াও 
( v ) পর্বতের গা দিয়ে গড়িয়ে পড়া পাথর – এর আঘাত ।
 ( vi ) উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলে অক্সিজেন কম থাকে বলে পর্বতারােহীদের নানান শারীরিক সমস্যা হওয়ার জন্য পর্বতারােহণে নানা সমস্যা দেখা দেয় ।

 21. উচ্চ অক্ষাংশে কেবল পাদদেশীয় হিমবাহ দেখা যায় ‘  – কারণ লেখাে । 

উত্তর : উচ্চ অক্ষাংশে পর্বতের পাদদেশে উষ্ণতা বেশিরভাগ সময়েই হিমাঙ্কের নীচে থাকে । এই অঞ্চলে হিমবাহ নীচে নেমে এসে গলে না – গিয়ে অবস্থান করে । এই অঞ্চলে একাধিক পার্বত্য হিমবাহ , পাদদেশে এসে পরস্পর মিলিত হয়ে পাদদেশীয় হিমবাহ গড়ে ওঠে ।
আরোও দেখুন:-
Madhyamik Geography Suggestion Click here

Madhyamik Geography Suggestion | West Bengal WBBSE Madhyamik Geography Qustion and Answer.

মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন | দশম শ্রেণীর ভূগোল – হিমবাহ – রোচনাধর্মী প্রশ্নউত্তর

” মাধ্যমিক  ভূগোল – হিমবাহ – রোচনাধর্মী প্রশ্নউত্তর “ একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ টপিক মাধ্যমিক পরীক্ষা (Madhyamik / WB Madhyamik / MP Exam / West Bengal Board of Secondary Education – WBBSE Madhyamik Exam / Madhyamik Class 10th / Class X / Madhyamik Pariksha) এবং বিভিন্ন চাকরির (WBCS, WBSSC, RAIL, PSC, DEFENCE) পরীক্ষায় এখান থেকে প্রশ্ন অবশ্যম্ভাবী । সে কথা মাথায় রেখে BhugolShiksha.com এর পক্ষ থেকে মাধ্যমিক (দশম শ্রেণী) ভূগোল পরীক্ষা প্রস্তুতিমূলক প্রশ্নোত্তর এবং সাজেশন (Madhyamik Geography Suggestion / West Bengal Board of Secondary Education – WBBSE Geography Suggestion / Madhyamik Class 10th Geography Suggestion / Class X Geography Suggestion / Madhyamik Pariksha Geography Suggestion / Geography Madhyamik Exam Guide / MCQ , Short , Descriptive  Type Question and Answer. / Madhyamik Geography Suggestion FREE PDF Download) উপস্থাপনের প্রচেষ্টা করা হলাে। ছাত্রছাত্রী, পরীক্ষার্থীদের উপকারেলাগলে, আমাদের প্রয়াস মাধ্যমিক (দশম শ্রেণী) ভূগোল পরীক্ষা প্রস্তুতিমূলক প্রশ্নোত্তর এবং সাজেশন (Madhyamik Geography Suggestion / West Bengal Board of Secondary Education – WBBSE Geography Suggestion / Madhyamik Class 10th Geography Suggestion / Class X Geography Suggestion / Madhyamik Pariksha Geography Suggestion / Madhyamik Geography Exam Guide / MCQ , Short , Descriptive  Type Question and Answer. / Madhyamik Geography Suggestion FREE PDF Download) সফল হবে।

Madhyamik Geography

প্রিয়, ছাত্র ছাত্রী আপনাদের সুবিধার জন্য আমরা মাধ্যমিক পরীক্ষার সাজেশন (হিমবাহ – রোচনাধর্মী প্রশ্নউত্তর) বিভাগটি শুরু করলাম। এই বিভাগের আজকের পর্ব মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশান ( Madhyamik Geography Suggestion ) হিমবাহ – রোচনাধর্মী প্রশ্নউত্তর

Madhyamik Geography | মাধ্যমিক ভূগোল – হিমবাহ – রোচনাধর্মী প্রশ্নউত্তর

Madhyamik Geography (মাধ্যমিক ভূগোল) – হিমবাহ – রোচনাধর্মী প্রশ্নউত্তর

Madhyamik Geography Suggestion | মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন – হিমবাহ – রোচনাধর্মী প্রশ্নউত্তর

Madhyamik Geography Suggestion (মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন) – হিমবাহ – রোচনাধর্মী প্রশ্নউত্তর

Madhyamik Geography Question and Answer | মাধ্যমিক ভূগোল প্রশ্ন ও উত্তর – হিমবাহ – রোচনাধর্মী প্রশ্নউত্তর

Madhyamik Geography Question and Answer (মাধ্যমিক ভূগোল প্রশ্ন ও উত্তর) – হিমবাহ – রোচনাধর্মী প্রশ্নউত্তর

WB Madhyamik Geography Suggestion | মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন – হিমবাহ – রোচনাধর্মী প্রশ্নউত্তর

WB Madhyamik Geography Suggestion (মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন) – হিমবাহ – রোচনাধর্মী প্রশ্নউত্তর

West Bengal Madhyamik Geography Suggestion | মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন – হিমবাহ – রোচনাধর্মী প্রশ্নউত্তর

West Bengal Madhyamik Geography Suggestion (মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন) – হিমবাহ – রোচনাধর্মী প্রশ্নউত্তর

WBBSE Madhyamik Geography Suggestion | মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন – হিমবাহ – রোচনাধর্মী প্রশ্নউত্তর

WBBSE Madhyamik Geography Suggestion (মাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন) – হিমবাহ – রোচনাধর্মী প্রশ্নউত্তর

West Bengal Madhyamik  Geography Suggestion Download. WBBSE Madhyamik Geography short question suggestion. Madhyamik Geography Suggestion  download. Madhyamik Question Paper Geography. WB Madhyamik 2019 Geography suggestion and important questions. Madhyamik Suggestion  pdf.পশ্চিমবঙ্গ মাধ্যমিক ভূগোল পরীক্ষার সম্ভাব্য প্রশ্ন উত্তর ও শেষ মুহূর্তের সাজেশন ডাউনলোড। মাধ্যমিক ভূগোল পরীক্ষার জন্য সমস্ত রকম গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

Get the Madhyamik Geography Suggestion by BhugolShiksha.com

 West Bengal Madhyamik Geography Suggestion  prepared by expert subject teachers. WB Madhyamik  Geography Suggestion with 100% Common in the Examination.

West Bengal Board of Secondary Education (WBBSE) 

will organize Madhyamik (Madhyamik)  Examination on the last week of February and continue up to the middle of March. Like every year Team BhugolShiksha.com published Madhyamik  All subjects suggestion.

WBBSE Geography Suggestion | West Bengal Madhyamik Exam

Madhyamik Geography Suggestion  Download PDF: WBBSE Madhyamik Class 10th Geography Suggestion is provided here. WB Madhyamik  ভূগোল Suggestion Questions Answers PDF Download Link in Free has been given below. 

Class 10th Geography Suggestion

Class 10th Geography Suggestion  has been provided here. Class 10th Geography Suggestion questions are very much common for the upcoming Madhyamik Geography examination. Download the solved Class 10th (X) question paper of Geography Subject Provided here. These common questions can be downloaded free. Moreover, you can easily check West Bengal মাধ্যমিক ভূগোল expected common questions for upcoming Madhyamik 10th Exam.

Madhyamik Geography Suggestion

WB Madhyamik Geography Suggestion Question and answer. The questions you should practice repeatedly however we can not guarantee that the questions will be 100% common. Hence, you should read the textbook of class 10th thoroughly for 100% sure suggestions. We also advise the WBBSE Madhyamik Students for  year that they read their textbook multiple times and solve the questions.

    স্কুল, কলেজ ও বিভিন্ন ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনার ডিজিটাল মাধ্যম BhugolShiksha.com । এর প্রধান উদ্দেশ্য পঞ্চম শ্রেণী থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর (মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক) সমস্ত বিষয় এবং গ্রাজুয়েশনের শুধুমাত্র ভূগোল বিষয়কে  সহজ বাংলা ভাষায় আলোচনার মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের কাছে সহজ করে তোলা। এছাড়াও সাধারণ-জ্ঞান, পরীক্ষা প্রস্তুতি, ভ্রমণ গাইড, আশ্চর্যজনক তথ্য, সফল ব্যাক্তিদের জীবনী, বিখ্যাত ব্যাক্তিদের উক্তি,  প্রাণী জ্ঞান, কম্পিউটার, বিজ্ঞান ও বিবিধ প্রবন্ধের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের মননকে বিকশিত করে তোলা।
        আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ সময় করে আমাদের পােস্টটি পড়ার জন্য। এই ভাবেই ভূগোল শিক্ষা – BhugolShiksha.com ওয়েবসাইটের পাশে থাকুন। ভূগোল বিষয়ে যেকোনো প্ৰশ্ন উত্তর জানতে এই ওয়েবসাইট টি ফলাে করুন এবং নিজেকে  তথ্য সমৃদ্ধ করে তুলুন , ধন্যবাদ।
নিচের বাটনে ক্লিক করে শেয়ার করেন বন্ধুদের মাঝে